TMC at Supreme Court: ‘প্রথমে ১০ জন’, এবার ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মমতারা

Supreme Court: ২০ সাংসদের সদস্যপদ খারিজের আর্জি জানিয়ে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। কাকলি-সুদীপদের নোটিসও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এবার কালীঘাট-তৃণমূলের প্রশ্ন, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কেন? তাঁদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে।

TMC at Supreme Court: প্রথমে ১০ জন, এবার ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মমতারা

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Sep 14, 2026 | 7:43 PM

নয়া দিল্লি: কালীঘাট-ঋতব্রত সংঘাতে নয়া মোড়। নির্বাচন কমিশনে লড়াই জারি আছে এখনও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)- দুই শিবিরের কাছে আরও কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস (কালীঘাটপন্থী)। সোমবারই স্পেশাল লিভ পিটিশন ফাইল করা হয়েছে বলে জানালেন দলের সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

প্রথমে ১০ জন, বাকিদের অক্সিজেন দিচ্ছি: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এদিনই স্পেশাল লিভ পিটিশন ফাইল করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তিনি বলেন, “শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আবেদন করেছেন। ঠিক যেমন সাংসদদের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল, সেরকমই আবেদন করা হয়েছে।” উল্লেখ্য, ঋতব্রতপন্থী বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন জানিয়ে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি দিয়েছিল কালীঘাট-শিবির। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে কেন এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল না, সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল।

কল্যাণ আরও বলেন, “প্রথমে ১০ জনের নাম দেওয়া হয়েছে। বাকিদের একটু অক্সিজেন দিচ্ছি। ফিরতে চাইলে ফিরে আসুন। না ফিরলে পুরো রাজনৈতিক কেরিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে।”

কোন ১০ জনকে প্রথমে বাছল তৃণমূল?

তালিকায় প্রথম নাম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও নাম রয়েছে, অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামান, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, বিপ্লব মিত্র, জাভেদ খান ও রথীন ঘোষের।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কথা অনুযায়ী, বাকিদের কিছুটা সময় দিতে চাইছে মমতাপন্থী তৃণমূল। তাঁদের বক্তব্য, অনেকেই বাধ্য হয়ে ঋত-শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের কালীঘাটে ফেরার রাস্তা খোলা রাখা হচ্ছে তাঁদের তরফে।

মামলাটির সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না হলেও, এই মামলার কথা শুনে ঋত-শিবিরের বিধায়ক মদন মিত্র বললেন, “যা বুঝতে পারছি, তাতে রাজনীতি ছেড়ে দিতে হবে। রাজনীতি করা সম্ভব হবে না। প্রতিদিন কথার পরিবর্তন করলে, মানুষ বুঝবে আমরা সুযোগসন্ধানী অথবা পাগল।”

এর আগে ২০ জন সাংসদের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের সদস্যপদ খারিজ করার জন্য পৃথকভাবে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পরে তাঁদের সদস্যপদ খারিজ করতে আইনি লড়াইও শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us