Trinamool Congress: সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন কই? একটি ব্লক বৈঠক ডাকল কীভাবে? কমিশনে কী কী যুক্তি সাজাল মমতা-পন্থী তৃণমূল

TMC at Election Commission: ঋতব্রতরা স্পিকারের কাছে জানিয়েছেন, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের একটি ব্লক। একটি ব্লক কখনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকতে পারে না। তৃণমূলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, তারপর রাজ্য এবং যে সব রাজ্যে সংগঠন রয়েছে, সেখানকার নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতি গঠন হয়।

Trinamool Congress: সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন কই? একটি ব্লক বৈঠক ডাকল কীভাবে? কমিশনে কী কী যুক্তি সাজাল মমতা-পন্থী তৃণমূল
ফাইল ছবিImage Credit source: PTI

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jul 06, 2026 | 6:57 PM

নয়া দিল্লি: ‘আসল তৃণমূল’ কে? এই প্রশ্নের উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে হবে সব পক্ষকেই। আজ, সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট-পন্থী তৃণমূলের (Trinamool Congress) তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হল সেই যুক্তি। নিজেদের আসব তৃণমূল হিসেবে উল্লেখ করে একাধিক যুক্তি সাজিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন যুক্তিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দাবি অবৈধ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজেদের স্বপক্ষে কী কী যুক্তি দিলেন কল্যাণ

তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর প্রথমে তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, ২০০৬ সালে দলের সংবিধান সংশোধন করে নিয়ম করা হয় পাঁচ বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হবে। ২০২২ সালে সাংগঠনিক শেষ নির্বাচন হয়েছে। সেই মোতাবেক কমিটির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়েরা তিন বছর মেয়াদের কথা বলছেন। তা আইনত ভুল।

যদি তিন বছর পর ২০২৫ সালে সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বাকি বিধায়কদের ২০২৬ সালে জোড়াফুল প্রতীক চিহ্নে যেভাবে প্রার্থী করা হয়েছিল, তাও আইনত বৈধ বলে গণ্য হবে না। সে ক্ষেত্রে ওদের পদত্যাগ করা উচিত।

ঋতব্রতরা স্পিকারের কাছে জানিয়েছেন, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের একটি ব্লক। একটি ব্লক কখনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকতে পারে না। তৃণমূলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, তারপর রাজ্য এবং যে সব রাজ্যে সংগঠন রয়েছে, সেখানকার নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতি গঠন হয়। কীভাবে একটা ব্লক জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকতে পারে।

জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকতে গেলে দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিতে হয়। কোথায় সেই বিজ্ঞাপন?

সংবিধান অনুযায়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সব সাংসদ, বিধায়ক জাতীয় কর্মসমিতির এক্স অফিশিও মেম্বার্স। সে ক্ষেত্রে ২০২২ সালে যাঁরা সাংসদ ছিলেন, ২০২৪-এ যাঁরা নতুন সাংসদ হয়েছেন এবং ২০২৬-এর বিধায়করা প্রত্যেকে কমিটি মেম্বার। কিন্তু সকলের মতামত ছাড়া কীভাবে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা হল?

ঋতব্রতরা বারবার বলছেন, তাঁরা তৃণমূলের সংবিধান অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছেন। তার মানে তাঁরা সংবিধানের অস্তিত্বকে স্বীকার করেছেন। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের অস্তিত্বকে স্বীকার করছেন।

Follow Us