
আহমেদাবাদ: ডিভোর্সের জন্য দায়ী শ্বশুড়বাড়ি। বোমা পাঠিয়ে ডিভোর্সের বদলা নিলেন যুবক। শুনে কল্পনা লাগলেও এটাই বাস্তব। অনলাইনে ভিডিয়ো দেখে বোমা বানানো শিখেছিলেন অভিযুক্ত। তারপরেই হাতে কলমে বানিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করে পাঠিয়ে দিলেন শ্বশুড়বাড়িতে।
বিস্ফোরণের ঘটনায় ইতিমধ্যে আহমেদাবাদ পুলিশের হাতে পাকড়াও হয়েছে দুই। এই ঘটনায় মূলচক্রী রূপেন রাওকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। এদিন সকাল ১০.৪৫ নাগাদ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গুজরাটের সবরমতি এলাকা। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার হন গৌরব গড়াভি নামে এক ব্যক্তি। এরপরই চিরুনি তল্লাশিতে নেমে পড়ে পুলিশ। যার হাত ধরে খোঁজ মেলে এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা মাস্টারমাইন্ড রূপেন রাওয়ের। এরপর শনিবার রাতেই রূপেন-সহ আরও একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এই প্রসঙ্গে পুলিশকর্তা ভারত রাথড় জানান, ‘বিগত কয়েক মাস ধরে এই বিস্ফোরণের ছক কষছিলেন রূপেন ও তাঁর সঙ্গী। সেই সূত্র ধরেই অনলাইনে ভিডিয়ো দেখে শুরু হয় বোমা বানানো।’ মূলত, তার স্ত্রীয়ের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের আহত করতেই পার্সেলের মধ্যে বোমা বেঁধে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন অভিযুক্ত, এমনটাই দাবি পুলিশের।
প্রসঙ্গত, রাগ,ক্ষোভ, যন্ত্রণা থেকেই এই অপরাধের পথে নেমেছিলেন অভিযুক্ত, দাবি পুলিশের। মূলত বিবাহ বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে রূপেনের মনে প্রতিশোধ স্পৃহা কাজ করতে শুরু করে। অভিযুক্তের ধারণা, শ্বশুড়বাড়ির চাপেই তার স্ত্রীয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কে ফাটল বেড়েছে এবং দিন শেষে তা এসে দাঁড়িয়েছে্ বিচ্ছেদের দিকে। আর এই ধারণার উপর ভর করেই অভিযুক্তের মনে জ্বলতে শুরু করে প্রতিশোধের আগুন। রাগে-জেদে সোজা বোমা পাঠানোর মতো অপরাধী কার্যকলাপে নেমে পড়ে সে।