
নয়া দিল্লি: কয়েকদিন ধরে বাড়ি থেকে বেরচ্ছিল না কেউ। প্রতিবেশীদের সন্দেহটা বাড়ছিল। তবে বাড়ির ভিতর যে ঠিক কী পরিস্থিতি, তা বুঝতে পারেননি তাঁরা। হঠাৎ দুর্গন্ধ বেরনো শুরু হওয়ায় আর সময় নেননি এলাকার মানুষজন। সবাই মিলে খবর দেন পুলিশকে। পুলিশ বাড়ির ভিতর যায়। আর দরজা খুলে যে দৃশ্য দেখেন, তাতে তাঁরা হতবাক!
গৃহবধূর দেহ ততক্ষণে পচে গিয়েছে। গন্ধ বেরতে শুরু করেছে। কোথা থেকে গন্ধটা বেরচ্ছে, সেটা খুঁজতে খুঁজতে পুলিশ দেখে, মেঝের উপর বেরিয়ে রয়েছে পচা লাশের হাতটা। দেখা যায় ঘরের মধ্যেই গর্ত খুঁড়ে পুঁতে দেওয়া হয়েছে মহিলার দেহ। কবে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মধ্যপ্রদেশের খারগোন এলাকার ঘটনা।
বছর ৪০ বয়সী ওই মহিলার স্বামী লক্ষ্মণকেও মৃত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। তাঁর দেহ পড়ে রয়েছে খাটের উপর। পুলিশের অনুমান, স্ত্রী রুক্মিনী দেবীকে খুন করে দেহ গর্তে পুঁতে দেওয়া হয়েছে। আর স্ত্রীর দেহ ওই অবস্থায় রেখে সেখানে খাট পেতে ৪-৫ দিন ধরে শুয়েছেন স্বামী লক্ষ্মণ। পুলিশ আসার আগেই তিনি বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হন বলে দাবি পুলিশের।
কী কারণে এভাবে স্ত্রীকে খুন করলেন ওই ব্যক্তি, তা স্পষ্ট নয়। তবে পুলিশের দাবি, খুনের ঘটনা সামনে এসে যাবে বুঝতে পেরেই লক্ষ্মণ আত্মঘাতী হন। দুজনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।