
অনলাইন কেনাকাটায় এখন অভ্যস্ত প্রত্যেকেই। একটি বিখ্যাত ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে অর্ডার করে খালি বাক্স পেয়েছিলেন গ্রাহক। সংস্থাকে দিতে হল ৩৭ হাজার টাকা। পাঞ্জাবের ঘটনা। কমিশনের নির্দেশে ওই গ্রাহক টাকা পাচ্ছেন।
গ্রাফিক্স কার্ড অর্ডার করেছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু জোটে একটি খালি বাক্স। বিক্রেতা দাবি করে যে পণ্যটি প্যাকিং করে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি খারিজ করে কমিশনের পর্যবেক্ষণ, একটি পার্সেল পৌঁছে দেওয়া বা ওটিপি-ভিত্তিক (OTP) ডেলিভারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করার মানে এই নয় যে তার ভিতরে অর্ডার করা পণ্যটি সত্যিই উপস্থিত ছিল।
কমিশন আরও বলে, অভিযোগকারীকে দেওয়া পার্সেলটি থেকে গ্রাফিক্স কার্ডটি উধাও হয়ে যায়। কেবল একটি পার্সেল ডেলিভারি করা হয়েছে। ওটিপি-ভিত্তিক ডেলিভারি পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর অর্ডার করা নির্দিষ্ট পণ্যটি তার ভিতরে ছিল না।
অভিযোগকারী জানান, তিনি ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে ২২,৪৪০ টাকায় একটি গ্রাফিক্স কার্ড কিনেছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি পার্সেলটি পান। দেখতে পান যে বাক্সটি সম্পূর্ণ খালি এবং গ্রাফিক্স কার্ডটি নিখোঁজ।
তিনি আরও জানান যে, তিনি ওই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে অভিযোগ জানান তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁকে জানানো হয় যে কোনও রিপ্লেসমেন্ট বা টাকা ফেরত হবে না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ক্ষতিপূরণ চেয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হন।
ই-কমার্স ওয়েবসাইটটি এই অভিযোগের বিরোধিতা করে দাবি করে যে, অভিযোগটি মিথ্যা ও ভুয়ো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। কমিশন উল্লেখ করে যে, অভিযোগকারী ব্যক্তি শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে বলে আসছেন যে যদিও পার্সেলটি পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু বাক্সের ভিতর গ্রাফিক্স কার্ডটি ছিল না।
কমিশন নির্দেশে স্পষ্টভাবে জানায় যে, কমিশন বিক্রেতা এবং ই-কমার্স ওয়েবসাইটটিকে যৌথভাবে টাকা দিতে হবে। ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযোগকারীকে ২২,৪৪০ টাকা রিফান্ড দেওয়ার পাশাপাশি হয়রানি ও মানসিক কষ্টের ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০,০০০ টাকা এবং আইনি খরচ হিসেবে ৫,০০০ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।