১০ লাখ ফেললেই NEET পরীক্ষায় পাশ! ১২ কোটি তুলেছিল চিটিং গ্যাং, শেষমেশ গ্রেফতার ৪

NEET Scam: রায় ওভারসিজ কোম্পানি নামে একটি সংস্থা চালান পরশুরাম। তাঁর সঙ্গী তুষার ভাট। তিনি গোধরার জয় জলরাম স্কুলের শিক্ষক। এরা দুইজন মিলেই নিট পরীক্ষায় দুর্নীতির চক্র চালাত। পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে, তার বিনিময়ে তাদের উত্তরপত্র লিখে দেওয়া হত। এর জন্য মাথা পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে 'রেট' ধার্য করা হয়েছিল।

১০ লাখ ফেললেই NEET পরীক্ষায় পাশ! ১২ কোটি তুলেছিল চিটিং গ্যাং, শেষমেশ গ্রেফতার ৪
ফাইল চিত্রImage Credit source: Twitter

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Jun 14, 2024 | 1:06 PM

আহমেদাবাদ: ফেলো কড়ি, মাখো তেল। ১০ লাখ টাকা দিলেই পাশ নিট পরীক্ষায়! নিট নিয়ে যখন দেশজুড়ে বিতর্ক, তখনই খোঁজ মিলল বড় র‌্যাকেটের। গুজরাট থেকে গ্রেফতার ‘চিটিং গ্যাং’।  কোচিং সেন্টারের মালিক সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক অভিযুক্তের কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে।

ডাক্তারির পরীক্ষা নিট ঘিরে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বলেই অভিযোগ। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই গুজরাটের গোধরা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্তের নাম পরশুরাম রায়। তিনিই নিট পরীক্ষায় পাশ করানোর র‌্যাকেটের মূল মাথা।

জানা গিয়েছে, রায় ওভারসিজ কোম্পানি নামে একটি সংস্থা চালান পরশুরাম। তাঁর সঙ্গী তুষার ভাট। তিনি গোধরার জয় জলরাম স্কুলের শিক্ষক। এরা দুইজন মিলেই নিট পরীক্ষায় দুর্নীতির চক্র চালাত। পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে, তার বিনিময়ে তাদের উত্তরপত্র লিখে দেওয়া হত। এর জন্য মাথা পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে ‘রেট’ ধার্য করা হয়েছিল। এভাবেই তাঁরা ১২ কোটি টাকা তুলেছিল। তাদের আরও বড় পরিকল্পনা ছিল। পড়ুয়াদের থেকে কমপক্ষে ২৬ কোটি টাকা আদায় করার ছক কষেছিল অভিযুক্তরা।

বিষয়টি সামনে আসতেই জেলা শিক্ষা আধিকারিক গোধরা তালুকা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ জানান। এরপরই তুষার ভাট ও পরশুরাম রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, আরিফ ভাহোরা নামক এক যুবকের মাধ্যমেই দুর্নীতির চক্র চালানো হত। আরিফই পড়ুয়াদের কোচিং সেন্টারে ভর্তি করাত।

অন্যদিকে, পরশুরাম রায় নামক কোচিং সেন্টারের মালিকও আরিফের মাধ্যমেই তুষার ভাটের কাছে ২৬ জন নিট পরীক্ষার্থীর যাবতীয় ডিটেইলস পাঠিয়েছিল। এদের মধ্যে ৬ জন পড়ুয়ার পরীক্ষার সিট পড়েছিল তুষার ভাটের জয় জলরাম স্কুলেই। বাকি ২০ পড়ুয়ার সিট পড়েছিল জয় জলরাম স্কুলের আরেকটি সেন্টারে।

গোধরার জেলাশাসকের কাছেই প্রথম অভিযোগ আসে। এরপরই ডিস্ট্রিক এডুকেশন অফিসারের নেতৃত্ব তদন্ত শুরু করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক তুষার ভাটের গাড়ি থেকে ৭ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে।

Follow Us