
লখনউ: সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর তিনটি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে রাজ্যে। তিন অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে দুজন ধর্ষণে অভিযুক্ত। নতুন সরকার গঠনের পর প্রথমে বারুইপুর ও সম্প্রতি একইদিনে গাইঘাটা ও ধুলিয়ানে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে। তবে উত্তর প্রদেশে এনকাউন্টারের সংখ্যা অনেক বেশি।
সামগ্রিক পরিসংখ্যান বলছে, ৯ বছরে উত্তর প্রদেশ জুড়ে মোট ১৭,০৪৩টি এনকাউন্টার চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৯ জন অপরাধী নিহত হয়েছেন এবং ৩৪,২৫৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অপারেশনগুলিতে মোট ১১,৮৩৪ জন অভিযুক্ত আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির হিসেব রয়েছে। এইসব ঘটনায় মোট ১৮ জন পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ১,৮৫২ জন আহত হয়েছেন।
উত্তর প্রদেশে সবচেয়ে বেশি এনকাউন্টার হয়েছে মিরাট জোনে। ৪,৮১৩টি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। ৮,৯২১ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে এবং ৩,৫১৩ জন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থলেই মোট ৯৭ জন অপরাধী নিহত হয়েছেন।
এই অপারেশনগুলোর সময় ৪৭৭ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন এবং দুজন প্রাণ হারিয়েছেন।
বারাণসী রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। যেখানে ১,২৯২টি এনকাউন্টার চালানো হয়েছে। পুলিশ ২,৪২৬ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে এবং এনকাউন্টারে ২৯ জনকে হত্যা করেছে। এই সময়ে ৯০৭ জন অপরাধী এবং ১০৪ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন।
আগ্রা তৃতীয় স্থানে রয়েছে। সেখানে ২,৪৯৪টি এনকাউন্টার হয়েছে। ৫,৮৪৫ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৯৬৮ জন আহত হয়েছে এবং ২৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে। আগ্রার এনকাউন্টারে মোট ৬২ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন।
বরেলি: ২,২২২টি এনকাউন্টারে ২১ জন অপরাধী নিহত হয়েছে।
লখনউ: ৯৭১টি এনকাউন্টারে ২০ জন নিহত হয়েছেন।
গাজিয়াবাদ: ৭৮৯টি এনকাউন্টারে মোট ১৮ জন অপরাধী নিহত হয়েছে।
কানপুর: ৭৯১টি এনকাউন্টারে ১২ জন অপরাধী নিহত।
কানপুর: ২৫৩টি এনকাউন্টারে ৪ জন অপরাধী নিহত।
লখনউ: ১৪৭টি এনকাউন্টারে ১২ জন অপরাধী নিহত।
আগ্রা: ৪৮৯টি এনকাউন্টারে ১০ জন অপরাধী নিহত।
বারাণসী: ১৪৬টি এনকাউন্টারে ৮ জন অপরাধী নিহত।
প্রয়াগরাজ: ১৫০টি এনকাউন্টারে ৬ জন অপরাধী নিহত।
প্রয়াগরাজ: ৬৪৩টি এনকাউন্টারে ১১ জন অপরাধী নিহত।
গোরক্ষপুর: ৬৯৯টি এনকাউন্টারে ৮ জন অপরাধী নিহত।
গৌতম বুদ্ধ নগর: ১,১৪৪টি এনকাউন্টারে ৯ জন অপরাধী নিহত।