
নয়া দিল্লি: সংসদের বাদল অধিবেশনে কি পৃথক দলের স্বীকৃতি পেয়ে যাবে এনসিপিআই (NCPI)? তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ছেড়ে বেরিয়ে আসা ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ কি সংসদে এনসিপিআই-র সাংসদ হিসাবে হিসাবে স্বীকৃতি পাবে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে। অধিবেশনের আগে সর্বদলীয় বৈঠকে এনসিপিআই-র ডাক পাওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গিয়েছে। এই আবহেই এবার নথি চাইলেন স্পিকার।
জানা গিয়েছে, বাদল অধিবেশন শুরুর দিন অর্থাৎ আগামিকালই এনসিপিআই-র মান্যতা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন স্পিকার। তবে এনসিপিআই-কে মান্যতা বা স্বীকৃতি দেওয়ার আগে ফের একাধিক নথি চেয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সেখানে জানতে চাওয়া হয়েছে যে এনসিপিআই-কে জাতীয় নির্বাচন কমিশন মান্যতা দিয়েছে কি না। সেই সংক্রান্ত নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্পিকার অফিসে।
সূত্রের খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মান্যতার নথি স্পিকারের কাছে জমা দিচ্ছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এই নথি যাচাই করেই লোকসভার স্পিকার সিদ্ধান্ত নেবেন যে এনসিপিআই মান্যতা পাবে কি না। যদিও ইতিমধ্যেই সংসদে তাদের আর্জি মেনে তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে আলাদা বসার জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে। এবার তাদের মান্যতা পাওয়াই বাকি।
আজ সর্বদলীয় বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে এনসিপিআই সাংসদদের ডাক পাওয়াকে কেন্দ্র করেও চাপান-উতোর শুরু হয়। সর্বদলীয় বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াক আউট করেন সকল বিরোধী সাংসদরা। পরে আবার তারা ফিরে আসেন।
বিরোধীদের এই বিক্ষোভ প্রসঙ্গে এনসিপিআই-র সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তাই আমরা এসেছি। আমি সংসদীয় দলনেতা হিসেবে সবথেকে বেশিবার এই বৈঠকে যোগদান করেছি। আজ পর্যন্ত সর্বদলীয় বৈঠকে ওয়াকআউট করতে দেখিনি। আজ সরকার পক্ষে এলেও বিরোধীদের যাতে বলার সুযোগ দেওয়া হয়, সেই আবেদন আমি করেছি।”