
আহমেদাবাদ: রাত পোহালেই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সামিট। সুষ্ঠুভাবে সেই সামিট সফল করতে এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতা ও শিল্প-সংস্থার কর্তাদের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে সোমবারই আহমেদাবাদে পৌঁছে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।মঙ্গলবার সকাল থেকেই একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। বলা যায়, গুজরাটের উন্নয়নের লক্ষ্যে তাঁর হাত ধরে চালু হওয়া এই সামিট কীভাবে এই রাজ্যকে ত্বরান্বিত করছে, তা কাছ থেকে দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী মোদী। গুজরাট পৌঁছে এব্যাপারে টুইটও করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সংযুক্ত আরব আমির শাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জােদ আল নাহানের সঙ্গে রোড শো করবেন তিনি।
পিএমও সূত্রে খবর, বুধবার, ১০ জানুয়ারি গুজরাট সামিট। তার আগেই বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেজন্য সোমবার রাতেই তিনি আহমেদাবাদ পৌঁছে গিয়েছেন। এদিন সকালেই তিনি গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে যাবেন। সেখানে বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্প-সংস্থার সিইও-দের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি। এরপর দুপুর ৩টে নাগাদ প্রধানমন্ত্রী ভাইব্র্যান্ট গুজরাট গ্লোবাল বাণিজ্যের সূচনা করবেন বলে পিএমও সূত্রে খবর।
বুধবার সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরেই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট গ্লোবাল সামিট শুরু হবে। তার আগে অন্যতম অতিথি সংযুক্ত আরব আমির শাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জােদ আল নাহানকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তারপর বিমানবন্দর থেকে সবরমতী আশ্রম পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার তাঁর সঙ্গে রোড শো করবেন মোদী। সামিট শেষে তিনি বিশ্বের বড়-বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বলা যায়, এই ভাইব্র্যান্ট সামিট থেকে গুজরাটের ঝুলিতে কী কী উপহার আসছে, সেটাই পরখ করে নিতে চান গুজরাটের চারবারের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রসঙ্গত, বুধবার থেকে গান্ধীনগরে শুরু হবে দশম তম ভাইব্রান্ট গুজরাট গ্লোবাল সামিটের দশম সংস্করণ। ২০০৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে এই সামিটের সূচনা করেন নরেন্দ্র মোদী। তারপর এই সামিটের হাত ধরে শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রগতি লাভ করে কচ্ছ উপকূলের এই রাজ্যটি। এবারের সামিটে যোগ দেবে মোট ৩৪ টি দেশ এবং ১৬টি অংশীদার সংগঠন। এই সামিটের প্রধান ভাবনা হল, ‘গেটওয়ে টু দ্য ফিউচার’। এবার এই মঞ্চ থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিনিয়োগের ব্যাপারে জোর দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর।