
নয়াদিল্লি: রবিবাসরীয় রাজধানীতে প্রতি মুহূর্তে নাটকীয় মোড়। রবিবার বিকেলে তৃণমূলের দুই সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছে গেলেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। ওম বিড়লার বাসভবনে অপেক্ষারত বিক্ষুব্ধ সাংসদদের একটি ছবি সামনে এসেছে। সেখানে তৃণমূলের ১৭ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।
আগামিকাল লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন ব্লক গঠনের দাবি জানাতে পারেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাঁদের বক্তব্য, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সাংসদ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। এদিন সকাল থেকেই রাজধানীতে পৌঁছে যান একের পর এক সাংসদ। তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের উপদেষ্টা হিসেবে চাইছেন। তাই, তিনি তাঁদের সঙ্গে এসেছেন।
এদিন যখন একের পর এক বিক্ষুব্ধ সাংসদ দিল্লিতে পৌঁছতে থাকেন, তখন তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ওম বিড়লার বাসভবনে পৌঁছে যান। যদিও আগে থেকে অধ্যক্ষের সাক্ষাতের জন্য সময় নেননি তাঁরা। অধ্যক্ষের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়নি। তাঁর অফিসে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি দিয়ে আসেন। চিঠিতে দাবি করা হয়, একটি দলের দুটি ব্লক থাকতে পারে না লোকসভায়।
তৃণমূলের দুই সাংসদ চলে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ সাংসদরা ওম বিড়লার বাসভবনে যান। যে ছবি সামনে এসেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ওম বিড়লার বাসভবনে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, অরূপ চক্রবর্তীরা। ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব)-ও রয়েছেন ওম বিড়লার বাসভবনে। ইউসুফ, পাঠান, জুন মালিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার, মিতালি বাগদের দেখা যাচ্ছে ছবিতে। সবমিলিয়ে তৃণমূলের ১৭ জন বিদ্রোহী সাংসদ ও বিজেপির নিশিকান্ত দুবে রয়েছেন ওম বিড়লার বাসভবনে।