
প্রায় একমাস পর ফের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি আরজি কর মামলার। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়েক বেঞ্চে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ওই মামলা রুজু হয়েছিল। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে সেই মামলার শুনানিও চলে বেশ কয়েকবার। ইতিমধ্যেই অবসর নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। তাই এবার প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চে হবে শুনানি। এক নজরে দেখুন আপডেট…
নির্যাতিতার নাম প্রকাশ ইস্যুতে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল সংক্রান্ত শুনানি হাইকোর্টেই হবে।
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ফিরোজ এডুলজি।
৪ নভেম্বর NTF রিপোর্ট জমা দিয়েছে। রিপোর্টের কপি রাজ্য সরকারকে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রাজ্য সরকার তাদের মতামত জানিয়েছে কি না জানতে চাইলেন প্রধান বিচারপতি। NTF এর প্রস্তাব সম্পর্কে মতামত জানাতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ।
আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে National task force-কে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি। এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় আইন সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না কোর্ট।
আরজি কর মামলার পরবর্তী শুনানি ২০২৫ এর ১৭ মার্চ। এই সময়ের মধ্যে তদন্ত বা ট্রায়াল সংক্রান্ত কোনও নতুন সমস্যা হলে প্রধান বিচারপতি এজলাসে মেনশন করার সুযোগ থাকবে।
ইন্দিরা জয় সিং: NTF-এর প্রস্তাব বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ মনিটর করার জন্য পৃথক মনিটরিং কমিটি গঠন করার আবেদন জানাচ্ছি
প্রধান বিচারপতি: আগে এবিষয়ে ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্সকে প্রস্তাব দেওয়া হোক। যদি কোর্টের তরফে কোনও রকম নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় তখন দেওয়া হবে। NTF এর প্রস্তাবের রিপোর্ট আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি।
বৃন্দা গ্রোভার: সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট কবে ফাইল করা হবে তার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। নির্যাতিতার বাবা-মা চাইছেন, যারা খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত তাদের সিবিআই চিহ্নিত করুক। এবং বিচার হোক
তুষার মেহতা: তদন্তের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে প্রতিমুহূর্তে নির্যাতির বাবা-মাকে জানানো হচ্ছে।
প্রধান বিচারপতি: দুর্নীতি বিষয় শুনানি কি একই কোর্টে হচ্ছে?
তুষার মেহতা: এ বিষয়ে অন্য কোর্টে চার্জশিট জমা পড়েছে। যেহেতু কয়েকজন সরকারি অফিসার ঘটনার সঙ্গে জড়িত, আমরা রাজ্য সরকারের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করছি। বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিবলকে নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি।
আইনজীবী বৃন্দা গ্রভার: ট্রায়াল চলছে। ৪৩ জন প্রত্যক্ষদর্শী রয়েছেন। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ট্রায়াল শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তুষার মেহতা: দুই ধরনের অভিযুক্ত রয়েছেন। প্রথমত ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় জড়িত। দ্বিতীয়ত প্রমাণ লোপাটে জড়িত। তৃতীয় ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত রয়েছে।
প্রধান বিচারপতি: অভিযুক্তের ডিএনএ রিপোর্ট ম্যাচ করেছে ?
সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা: ম্যাচ করেছে।
বৃন্দা গ্রোভার: রিপোর্ট ইতিমধ্যেই কোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে।
সিবিআই তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে জানালেন সলিসিটর জেনারেল। ধর্ষণের ঘটনায় প্রমাণ লোপাটের সম্ভাবনা এবং হাসপাতালের দুর্নীতির পটভূমিতে সিবিআইএর তদন্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখার আর্জি জানালেন তুষার মেহতা।