‘বৈষম্যমূলক নয়’, স্যাটেলাইট যোগাযোগের অনুমোদন পদ্ধতি নিয়ে সব অভিযোগ ওড়াল কেন্দ্র

সরকার জানিয়েছে যে, ভারতে উপগ্রহ যোগাযোগ চালু করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে 'নন-জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট অরবিট' নির্ভর স্যাটেলাইট যোগাযোগের ভিত্তিতে তিনটি 'গ্লোবাল মোবাইল পার্সোনাল কমিউনিকেশন বাই স্যাটেলাইট' পরিষেবাকে টেলিকম লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।

বৈষম্যমূলক নয়, স্যাটেলাইট যোগাযোগের অনুমোদন পদ্ধতি নিয়ে সব অভিযোগ ওড়াল কেন্দ্র
Image Credit source: Getty Image

Oct 08, 2026 | 11:14 AM

নয়া দিল্লি: স্যাটেলাইট যোগাযোগ ও টেলি যোগাযোগের ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে এবার ব্যাখ্যা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, স্যাটেলাইট যোগাযোগ সহ সব টেলি যোগাযোগ সেবার জন্য একটি ‘নিরপেক্ষ পদ্ধতি’ তৈরি করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি স্যাটেলাইট যোগাযোগ সংক্রান্ত অনুমোদনের জন্য ভারতের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এটি বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে বলেও একটি পোস্ট ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সরকার জানিয়েছে যে, ভারতে উপগ্রহ যোগাযোগ চালু করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ‘নন-জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট অরবিট’ নির্ভর স্যাটেলাইট যোগাযোগের ভিত্তিতে তিনটি ‘গ্লোবাল মোবাইল পার্সোনাল কমিউনিকেশন বাই স্যাটেলাইট’ পরিষেবাকে টেলিকম লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।

লাইসেন্সের নিয়ম ও শর্তাবলী অনুসারে, প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্তাবলী পূরণের প্রমাণ দিতে হয়। সরকার বলেছে, “সমস্ত ব্যবহারকারী এবং তাঁদের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।”

বর্তমানে তিনটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের জন্যই নিরাপত্তার বিষয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হলে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটি পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ স্পেকট্রাম বরাদ্দের আবেদনের দিকে এগোতে পারবে বলে সরকার জানিয়েছে। বর্তমানে, তিনটি প্রতিষ্ঠানই মোটের ওপর নিয়ন্ত্রক কাঠামোর একই পর্যায়ে রয়েছে।

কেন্দ্র আরও বলছে যে, অনুমোদন দেওয়ার যে পদ্ধতি রয়েছে, তা বৈষম্যমূলক এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us