
নয়া দিল্লি ও ঢাকা: ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক (India-Bangladesh Relation) নতুনভাবে গড়ার চেষ্টা। ব্রিকস সামিটে (BRICS Summit) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। তিনি আসবেন কি না, তা নিয়ে সংশয়ের মাঝেই আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী (Dinesh Trivedi)। তিনি কি তারেক-কে রাজি করাতে পারবেন ভারতে আসতে?
ইউনূসের আমলে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হলেও, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফের একবার ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আগের মতো করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই আবহে হঠাৎ ছন্দ কেটেছে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যকলাপ। বাংলাদেশের আপত্তি সত্ত্বেও নয়া দিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি সভা করেন শেখ হাসিনা। তাতেই ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ। যদিও ভারত বারংবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে শেখ হাসিনার সাংবাদিক বৈঠকের সঙ্গে নয়া দিল্লির কোনও যোগ নেই। এই কার্যকলাপকে সমর্থন করে না ভারত সরকার। এতে সরকার অংশও ছিল না।
সোমবার বাংলাদেশের সময় সকাল ১১টা নাগাদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এই বৈঠক শুরু হয়। তবে বৈঠকে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা এখনও জানানো হয়নি। বৈঠক শেষে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে উভয় পক্ষের তরফে বিস্তারিত তথ্য জানানো হতে পারে। এর আগে রবিবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
পরপর দুই দিনে বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কূটনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ। তবে বৈঠকে ঠিক কোন কোন দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিষয় উঠে এসেছে, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
আসন্ন ব্রিকস সামিটে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। তিনি আসবেন কি না, তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারেক রহমানের ভারতে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
তবে আশা ছাড়তে নারাজ দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সম্মান করি। আমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বললেই তো সমস্যার সমাধান হবে”। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়েও তিনি ইতিবাচক ইঙ্গিতই দিয়েছেন। এবার তারেক রহমান দীনেশ ত্রিবেদীর কথায় রাজি হন কি না, তাই-ই দেখার।