Supreme Court on Live in Relation: লিভ ইন হয়ে গেল ধর্ষণ! ‘সন্তান কখনও অবৈধ হয় না’, ফারাকটা বুঝিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

Supreme Court live-in relationship ruling: বিচারপতি নাগারত্ন বলেন যে প্রাপ্তবয়স্করা বিবাহ বন্ধনের বাইরে একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এই ধরনের সম্পর্কে অনেক সময়ই ঝুঁকি থাকে। এই মামলায় পর্যবেক্ষণে বলেন, "এটা লিভ ইন সম্পর্ক। বিয়ে ছাড়াই ওই ব্যক্তির সঙ্গে সন্তান রয়েছে তাঁর, এখন তিনি বলছেন যে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এটা কী?"

Supreme Court on Live in Relation: লিভ ইন হয়ে গেল ধর্ষণ! সন্তান কখনও অবৈধ হয় না, ফারাকটা বুঝিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট
ফাইল চিত্র।Image Credit source: TV9 বাংলা

|

Apr 27, 2026 | 1:50 PM

নয়া দিল্লি: লিভ ইন সম্পর্ক (Live in Relationship) থেকে বেরিয়ে যাওয়া ফৌজদারি অপরাধ (Criminal Offence) নয়। পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। বিবাহ বন্ধন  না থাকায়, এই ধরনের সম্পর্কে ঝুঁকি থেকেই যায়, তা উল্লেখ করল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

এক মহিলা তাঁর লিভ ইন সঙ্গীর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ও নিগ্রহের অভিযোগ এনেছিলেন। ওই পিটিশনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এই পর্যবেক্ষণ রাখেন। সম্মতিতে লিভ ইন সম্পর্কে থাকা এবং যৌন অপরাধের মধ্যে পার্থক্য আছে।

বিচারপতি নাগারত্ন বলেন যে প্রাপ্তবয়স্করা বিবাহ বন্ধনের বাইরে একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এই ধরনের সম্পর্কে অনেক সময়ই ঝুঁকি থাকে। এই মামলায় পর্যবেক্ষণে বলেন, “এটা লিভ ইন সম্পর্ক। বিয়ে ছাড়াই ওই ব্যক্তির সঙ্গে সন্তান রয়েছে তাঁর, এখন তিনি বলছেন যে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এটা কী?

তিনি প্রশ্ন তোলেন যে কীভাবে সম্মতিতে থাকা লিভ ইন সম্পর্ক যৌন হেনস্থায় পৌঁছয়? এই ধরনের প্রশ্ন যে ‘ভিকটিম শেমিং’ বলে সমালোচনা করা হয়, তাও উল্লেখ করে বলেন যে সম্মতির ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। সম্মতি সম্পর্ক হলে, সেখানে অপরাধের প্রশ্ন আসে কী করে?

বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, “লিভ ইন সম্পর্কে এটা হয়। বহু বছর ধরে এরা একসঙ্গে থাকে। তারপর যখন এরা আলাদা হয়ে যায়, তখন মহিলা তাঁর সঙ্গীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করেন। বিয়ের বাইরে সম্পর্কে এমন খামখেয়ালিপনা বা অপ্রত্য়াশিত পরিবর্তন হয়ে থাকে।”

অভিযোগকারীণীর কাউন্সিল শীর্ষ আদালতে জানায় যে ওই মহিলার যখন ১৮ বছর বয়স ছিল, তখন অভিযুক্তের সঙ্গে পরিচয় হয়। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অভিযুক্ত, কিন্তু সেই সময়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিবাহিত ছিলেন। ওই মহিলা এই বিয়ে সম্পর্কে জানতেন না।

এই টুকু শুনেই বিচারপতি নাগারত্ন প্রশ্ন করেন যে বিয়ে না করে কেন ওই মহিলা অভিযুক্তের সঙ্গে থাকতে এবং তাঁর সন্তান ধারণ করলেন? অভিযোগকারীণী তাঁর সন্তানের জন্য খোরপোশ চাইতে পারেন বলেই উল্লেখ করা হয় শীর্ষ আদালতের তরফে, তবে একইসঙ্গে বলা হয় যে লিভ ইন সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া ফৌজদারী অপরাধ হতে পারে না।

শীর্ষ আদালতের ব্যাখ্য়া, “সম্পর্ক অবৈধ হতে পারে, কিন্তু সেই সম্পর্ক থেকে জন্মানো সন্তান অবৈধ হতে পারে না। যদি বিয়ে হত, তাহলে তাঁর আরও অধিকার থাকত।”

Follow Us