
নয়াদিল্লি: লোকসভা ভোটের আগে সংসদের শেষ অধিবেশনে ইতি পড়েছে। এই অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন দলের আট সাংসদের সঙ্গে শুক্রবার সংসদের ক্যান্টিনে মধ্যাহ্নভোজন সেরেছেন মোদী। সেই ঘটনার ছবি নিজেও পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজন সেরে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত ওই সব সাংসদরা। খাবার খেতে খেতে প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর নিজের দৈনন্দিক রুটিনের কথাও শুনিয়েছেন সাংসদদের। মোদীর এই কর্মঠ রুটিনে তাঁরা যে অনুপ্রাণিত, সে কথা ফুটে উঠেছে তাঁদের প্রতিক্রিয়াতেই। নিজের বিভিন্ন বিদেশ সফরের গল্পও এ দিন করেছেন মোদী।
মোদীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজনে উপস্থিত সাংসদরা হলেন বিজেডি-র সাস্মিত পাত্র, আরএসপি-র এনকে প্রেমচন্দ্র, টিডিপি-র কে রামমোহন নাইডু, বিএসপি-র রীতেশ পাণ্ডে, বিজেপি-র হিনা গাভিত, এন ফাঙ্গনন কোনয়াক, জাময়াং সেরিং নামগ্যাল এবং এল মুরুগান। প্রধানমন্ত্রীর ভাত, খিচুড়ি, পনির, ডাল, তিল এবং রাগির মিষ্টি খেয়েছেন সকলে।
মধ্যাহ্নভোজনের সময় প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন তা সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ এল মুরুগান। তিনি বলেছেন, “সকলে অবাক এবং একই সঙ্গে খুশি। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজের দৈনন্দিক রুটিনের বিষয়ে আমাদের জানিয়েছেন। তিনি রোজ কী ধরনের ব্যায়াম করেন, করাচি সফরের সময় তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি। আমরা তাঁর সঙ্গে ৪৫ মিনিট কাটিয়েছি। তাঁর থেকে অনুপ্রেরণামূলক অনেক কিছু পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন তিনি দিনে সাড়ে তিন ঘণ্টা ঘুমান। এবং সন্ধ্যা ৬টার পর আর কিছু খান না।” প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজনের এই ৪৫ মিনিট আমাদের মনে থাকবে।
বিজেপির অপর সাংসদ হিনা গাভিত বলেছেন, “আমাকে প্রধানমন্ত্রী ডাকছে শুনে প্রথমে চিন্তিত হয়ে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে কত ভালো লাগল। অনেক কিছু জানতে পারলাম প্রধানমন্ত্রীর কাজের বিষয়ে। সারা জীবন এই দিনটির কথা মনে থাকবে।”