
নয়াদিল্লি: শনিবার (১০ অক্টোবর) ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত প্রতিবাদের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। তার আগে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার এবং দেশের রাজধানীর নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কাজকর্ম বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা জানাল দিল্লি পুলিশ। কেন দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে, তারও ব্যাখ্যা দিল।
কী বলল দিল্লি পুলিশ?
এক্স হ্যান্ডলে দিল্লি পুলিশ লিখেছে, “প্রতিবাদ করার অধিকার রক্ষা করতে হবে। তবে একটি শহরের নিরাপদে স্বাভাবিকভাবে চলার অধিকারও রক্ষা করতে হবে। দায়িত্বশীল পুলিশি ব্যবস্থাপনার অর্থ হল, এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা।”
The right to protest must be protected, but so must the right of a city to function safely.
Responsible policing is about balancing both.
#DPUpdates
#PublicSafetyOurPriority https://t.co/Zfwc8xiCwy— Delhi Police (@DelhiPolice) October 9, 2026
দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত প্রতিবাদের কয়েক ঘণ্টা আগেই পুলিশের এই বক্তব্য সামনে এসেছে। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে সিজেপি।
অভিজিৎ দীপকের প্রতিষ্ঠিত ককরোচ জনতা পার্টি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের অংশ হিসেবেই ১০ অক্টোবরের এই প্রতিবাদের ঘোষণা করেছে। দীপকের দাবি, এই বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ হবে। পাশাপাশি, প্রতিবাদ ঘিরে প্রশাসনের আরোপ করা বিধিনিষেধেরও সমালোচনা করেছেন তিনি।
প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকর্মীদের। পাশাপাশি, নিরাপত্তার জন্য ব্যাপক ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এই প্রতিবাদকে ঘিরে শান্তিপূর্ণ জমায়েতের অধিকার এবং বিক্ষোভের কারণে দিল্লির জনজীবন ও নিরাপত্তার উপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, শহরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ও নিরাপত্তা বজায় রাখা জরুরি। অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, ছাত্রছাত্রী ও তরুণদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার মৌলিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে হবে।