
নয়াদিল্লি: আজ থেকে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন লোকসভায়। মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে মোট তিনটি বিল পেশ করা হবে। এই বিশেষ অধিবেশনে কি তৃণমূল উপস্থিত থাকবে? দিন কয়েক আগেই রাহুল গান্ধী-সহ একাধিক বিরোধী নেতা দাবি করেছিল তৃণমূলের অনুপস্থিতি সুবিধা করে দেবে বিজেপিকে। এরপরই তৃণমূল সাংসদদের ১০০ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল?
সংসদের অধিবেশনে কি থাকবে তৃণমূল?
তৃণমূল সাংসদের ১০০ শতাংশ উপস্থিতি সম্ভব নয়। সূত্র মারফত এমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নেপথ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন সকলে। সেকারণে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে ২০ জন সাংসদকে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল। রাহুল গান্ধীর মতে, বিলের উপর ভোটাভুটির সময় সব বিরোধী সাংসদদের উপস্থিত থাকতে হবে। তা না হলে অনুপস্থিতি ঘুরিয়ে বিজেপিকেই সুবিধা করে দেবে। ইতিমধ্যেই নিজের দলের সাংসদদের জন্য হুইপ জারি করেছে কংগ্রেস। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুতে ভোট সত্ত্বেও ডিএমকে সাংসদদের সকলকে দিল্লি যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এমকে স্ট্যালিন।
এম কে স্টালিনের বিক্ষোভ
মহিলা সংরক্ষণ বিলে সম্মতি জানালেও আজ সংসদ তোলপাড় হতে পারে ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে। সংসদে আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিরোধিতা করবে বিরোধী দলগুলি। এদিকে, আজ সকালে প্রস্তাবিত আসন পুনর্বিন্যাসের ডিলিমিটেশন বিল নিজে হাতে পুড়িয়ে তামিলনাড়ুতে বিক্ষোভ কর্মসূচির সূচনা করলেন এম কে স্ট্যালিন। তামিলনাড়ুর প্রত্যেক ডিএমকে কর্মী-সমর্থকদের নিজেদের বাড়িতে আগামী কয়েক দিন কালো পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্ট্যালিন।
বিলের বিরোধিতা করার আর্জি জানিয়ে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন প্রবীণ বিজেডি নেতা নবীন পট্টনায়ক। অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের বিরোধী নেতারাও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি লিখে বিলের বিরোধিতা করার আর্জি জানিয়েছেন। উত্তর ভারতের তুলনায় পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্বের ক্ষমতা সংসদে হ্রাস হওয়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীদের সরব হওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন বিরোধীরা।