
নয়া দিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম প্রতীকে অধিকার কার, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের মুখোমুখি হয়েছিল মমতা ও ঋতব্রত-পন্থী শিবির। দুই পক্ষের সঙ্গেই আলাদাভাবে কথা বলেছে কমিশন। দুপুরের এই আপডেটের পরই রাতে নতুন খবর। শনিবার রাতেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখল কালীঘাট-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস।
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের মুখোমুখি হওয়ার পরই ওই রাতেই কমিশনকে ফের চিঠি লিখল কালীঘাট তৃণমূল। এবার চিঠি লিখলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন।
চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, ঋতব্রত শিবির কোন কোন নথি জমা দিয়েছে, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে এখনও জানানো হয়নি কমিশনের তরফে। এমনকী, কমিশনের ওয়েবসাইটে তৃণমূলের সংবিধানের সর্বশেষ আপডেট উল্লেখ করা হয়নি।
ডেরেকদের দাবি, তৃণমূলের সংবিধান অনুযায়ী দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচন হওয়ার কথা আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে। অতএব এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
তৃণমূলের নির্বাচন হয় না বলে ঋতব্রত শিবির যে অভিযোগ করছে, তাও বৈধ নয় বলেই চিঠিতে জানানো হয়েছে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে। ডেরেক ও’ব্রায়েনের চিঠির জবাব কমিশন দেয় কি না এবং ঋতব্রতরা তাদের তৃণমূলের উপরে অধিকারের দাবির সপক্ষে কী কী নথি জমা দিয়েছেন, তা কমিশন জানায় কি না, তাই দেখার।
আগামী ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের দুটি আসনে উপনির্বাচন হতে চলেছে-রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে। তার আগেই তৃণমূলের নাম ও প্রতীকে কার অধিকার থাকবে, তা নিয়ে লড়াই মেটানোর চেষ্টা নির্বাচন কমিশনের। তবে জল্পনা শোনা যাচ্ছে, এত দ্রুত তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে না কমিশন। সেক্ষেত্রে দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করে দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে দুই শিবিরকেই বিকল্প নাম ও প্রতীক দেওয়া হবে উপনির্বাচনে লড়াই করার জন্য।