
লখনউ: মাথায় উঠল সাংবাদিক বৈঠক। মাঝ বৈঠক থেকেই সাংসদকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ। ঘটনা উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের। ধর্ষণের অভিযোগে সাংবাদিক বৈঠকের মাঝখান থেকেই কংগ্রেস সাংসদ রাকেশ রাঠোরকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল পুলিশ।
গতকালই এলাহাবাদ হাই কোর্টের লখনউ বেঞ্চে সাংসদের আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করেন বিচারপতি। তারপর দিন পেরতে না পেরতেই কংগ্রেস সাংসদকে ‘তুলে’ নিয়ে গেল পুলিশ। একজন মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
গত ১৭ই জানুয়ারি সীতাপুরের এই সাংসদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। তাঁর দাবি, চার বছর ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করছেন সাংসদ। গত ১৫ জানুয়ারি শেষবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
থানায় অভিযোগের পাশাপাশি, ধর্ষণের প্রমাণ হিসাবে সাংসদের সঙ্গে হওয়া কলের রেকর্ড ও আরও কিছু নথি জমা দিয়েছেন নির্যাতিতা। তাঁর আরও অভিযোগ, ধর্ষণের মামলা রুজু করবেন শুনেই নাকি ক্রমাগত তাঁকে হুমকি-হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন সেই কংগ্রেস সাংসদ। এরপরেই তদন্তে নামে পুলিশ। প্রাণ বাঁচাতে পাল্টা আগাম জামিনের আর্জি নিয়ে উচ্চ আদালতে দ্বারস্থ হন রাকেশ।
গতকাল ছিল রাকেশের আগাম জামিনের আর্জির শুনানি। কিন্তু আদালতে ধাক্কা খান কংগ্রেস সাংসদ। বিচারপতি রাজেশ সিংহ চৌহনের সিঙ্গেল বেঞ্চে খারিজ হয় আর্জি। দিন পেরতেই গ্রেফতার হন সাংসদ।