
হরিদ্বার: মাদ্রাসাতেও পড়ানো হবে রামায়ণ। উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসার পাঠক্রমে এ বার রামায়ণ অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওয়াকফ বোর্ডের অনুমোদিত যে সব মাদ্রাসা রয়েছে, সেখাকার পাঠক্রমেই অন্তর্ভুক্ত হবে এই মহাকাব্য। দেহরাদূন, হরিদ্বার, নৈনিতাল এবং উধমসিং নগর জেলায় অবস্থিত মাদ্রাসাগুলিতে রামায়ণ পড়ানো শুরু হবে। ২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষে তা অন্তর্ভুক্ত হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই রাজ্যের বাকি মাদ্রাসাগুলিতে তা ধাপে ধাপে চালু করা হবে। এমনকি রামায়ণ পড়ানোর জন্য শিক্ষকও নিয়োগ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
এ বিষয়ে উত্তরাখণ্ড ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান শাদাব সাম সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, “আমরা কোরানের পাশাপাশি রামায়ণও পড়াব। বড় দাদার জন্য লক্ষ্মণের ত্যাগের কাহিনি জানাব পড়ুয়াদের। ঔরঙ্গজেব সেখানে ভাইকে খুন করে রাজা হয়েছেন।”
আপাতত উত্তরাখণ্ডের চারটি জেলার চারটি মাদ্রায় রামায়ণ পড়ানো শুরু হবে। সে বিষয়ে দক্ষ শিক্ষকও নিয়োগ করা হবে। পাশাপশি সেমিনারের আয়োজনও করা হবে বলে জানিয়েছেন ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই চারটি মাদ্রাসাকে মডেল হিসাবে গড়ে তোলা হয়েছে। তাই প্রথম ধাপে সেখানে চালু হবে রামায়ণের পাঠক্রম। ধীরে ধীরে তা সারা রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসায় অন্তর্ভুক্ত হবে। এর পাশাপাশি শ্রী রামের বন্দনাও শোনা গিয়েছে ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের কথায়। তিনি জানিয়েছেন, আমাদের রামের মতো সন্তানই প্রয়োজন, যিনি কেবল বাবার কথা রাখতে বনবাসে গিয়েছিলেন।