
নয়া দিল্লি: ভারতকে উন্নত দেশগুলির তালিকায় তুলে নিয়ে যেতে গেলে, এগিয়ে নিয়ে যেতেই হবে দেশের মহিলাদের। গত কয়েক মাসে বারবার করে এই নারীশক্তির উত্থানের উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কর্পোরেট জগতে মহিলাদের শীর্ষ স্তরে কীভাবে তুলে আনা যাবে? রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি), দেশের বৃহত্তম নিউজ নেটওয়ার্ক TV9-এর বার্ষিক সম্মেলন, ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’-র মঞ্চে এই বিষয়ে আলোচনা করলেন গেইল (GAIL)-এর মানব সম্পদ উন্নয়ন ডিরেক্টর আয়ুশ গুপ্তা। তিনি বলেছেন, মহিলারা বোর্ড রুমে থাকলে, তাঁরা শুধু প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেই সাহায্য করেন না, তাঁরা সামগ্রিকভাবে মানব কল্যাণে সাহায্য করেন।
তিনি আরও বলেন, মহিলাদের উপস্থিতি চিন্তা-ভাবনায় চেতনায় বৈচিত্র্য এনেছে। তাঁরা শুধু কাজ করেন না, কাজের ক্ষেত্রে তাঁরা সেরাটা দেন। নতুন প্রজন্মের কাছে মহিলারাই রোল মডেল হয়ে উঠেছেন। এটাও মহিলাদের এক বড় সাফল্য। গেইলের এইচআর ডিরেক্টর আরও বলেন, মহিলারা বোর্ড রুমে যোগ দিলে, তাঁরা নিজেদের পাশাপাশি সমগ্র প্রজন্মের উন্নয়নের কাজ করেন। বহু মানুষ তাঁদের দেখে অনুপ্রাণিত হন, সেই মহিলাকে অনুসরণ করেন।
আয়ুশ গুপ্তার পাশাপাশি, ‘ফিমেল প্রোটাগনিস্ট – দ্য নিউ হিরো’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য খুশবু সুন্দরও। খুশবু সুন্দরকে তাঁর নিজের জীবনের কাহিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁর মাকে দেখেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, ‘অসহায় নারী’ হবেন না। তিনি আরও বলেন, আমার মা চেয়েছিলেন আমি তার মতো হ্যাঁ-হ্যাঁ মেলানো মানুষ না হই।” কীভাবে তিনি তামিল ভাষা বলতে শিখেছিলেন, তাও এই মঞ্চে তুলে ধরেন তিনি। খুশবু বলেন, “আমার লাইটম্যান, ক্যামেরা পার্সন এবং সেটে উপস্থিত লোকজন আমাকে তামিল ভাষা শিখতে সাহায্য করেছিল। আমি মুম্বই থেকে তামিলনাড়ুতে পাড়ি দিয়েছিলাম। পরে, তামিলনাড়ুকেই আমার বাড়ি বানিয়ে নিয়েছিলাম।”