
কলকাতা: ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের কিবোর্ডের সবথেকে বড় কি হল স্পেসবার। বাহ্যিকভাবে একে একটি সাধারণ ডিজাইন বলে মনে হলেও, বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এর কিছু বিশেষ কারণও রয়েছে।
১. লেখার সময় শব্দগুলোর মাঝে ফাঁকা জায়গা বা স্পেস দেওয়া হলো টাইপিং-এর অন্যতম প্রধান কাজ। টাইপ করতে গেলে কিবোর্ডে স্পেসবারেই সবচেয়ে বেশিবার চাপ দিতে হয়। কি বোর্ডের দিকে না তাকিয়েও সঠিক জায়গায় চাপ দেওয়া যায়। ফলে দ্রুত স্বাচ্ছন্দ্যে টাইপ করা যায়।
২. অধিকাংশ কি-র মতো নয়, স্পেসবারে এমন ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি যে কোনও বুড়ো আঙুল দিয়ে চাপ দেওয়া যায়। একটি চওড়া সুইচ হওয়ার কারণে ডানহাতি এবং বাঁহাতি, সব ব্যবহারকারীরাই এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। যেহেতু টাইপিং-এর সময় হাতের বুড়ো আঙুল দুটি কিবোর্ডের নীচের অংশে স্বাভাবিকভাবেই অবস্থান করে, তাই বড় আকারের একটিমাত্র স্পেসবার দীর্ঘক্ষণ টাইপ করার সময় কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৩. বড় স্পেসবারের ধারণাটি এসেছে মেকানিক্যাল টাইপ রাইটারের সময় থেকে। শুরুর দিকের টাইপ রাইটারে প্রতিটি অক্ষরের মাঝে স্পেস দেওয়ার জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি বল প্রয়োগ করতে হত। পরবর্তীতে যখন কম্পিউটারের কিবোর্ড টাইপ রাইটারের জায়গা নেয়, তখন ব্যবহারকারীরা যাতে সহজে নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে অভ্যস্ত হতে পারেন, সেজন্য পুরনো এই পরিচিত লেআউটটি বজায় রাখা হয়।
৪. স্পেসবার ছোট হলে, দ্রুত টাইপ করার ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ভুল হলে বারবার তা সংশোধন করতে হয়। টাইপিং যাতে নির্ভুল হয়, তার জন্য এই কি-র বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
৫. কিবোর্ডের গঠনেও স্পেসবারের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। যে কোনও দিক থেকেই চাপ দেওয়া যায় এই কি-তে।
তবে স্পেসবারও একের অধিক কাজ করে থাকে। বিভিন্ন মিডিয়া প্রোগ্রামে ভিডিয়ো বা গান বন্ধ কর তে বা পুনরায় চালু করতে বা পেজ স্ক্রল করতে এই কি ব্যবহার করতে হয়।