
কলকাতা: এবার কি কংগ্রেসে মিশে যেতে চলেছে তৃণমূল? হাতের হাত ধরছেন মমতা? ক্রমেই জোরালো হচ্ছে সম্ভাবনা। হারের পর বিদ্রোহী তৃণমূলের একের পর এক তৃণমূল সাংসদ বিধায়ক। বিধানসভায় তৈরি হয়েছে ৬০ জন বিদ্রোহী বিধায়কের নতুন ব্লক। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই ২৮ জনের মধ্যে ২০ তৃণমূল সাংসদও আবার বিদ্রোহ করে বসে আছেন। এই আবহে মমতার কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনায় তোলপাড় জাতীয় রাজনীতির আঙিনা। সূত্রের খবর, মমতাকে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির প্রস্তাব দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের পদের প্রস্তাব দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তবে আপাতত সনিয়ার কাছে মমতা সময় চেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু কী ভাবছে বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস?
এক সময় কংগ্রেস ভেঙেই তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন মমতা। তারপর গঙ্গা-যমুনা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। বাংলায় একছত্র ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন একালের কংগ্রেসের দাপুটে নেত্রী মমতা। ঘুরেছে কালের হাওয়া। কিছু বছর আগেই ফের কংগ্রেসের হাত ধরে ইন্ডিয়া জোটে গিয়েছিলেন মমতা। এদিকে বাংলায় আবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে সরেছিলেন বাংলায় কিছুদিন আগেও মমতা-বিরোধী মুখদের মধ্যে একেবারে শীর্ষ তালিকায় থাকা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এবার রাজ্যে পালাবদলের পর একেবারে কোণঠাসা তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু মমতার হাতের হাত ধরার জল্পনা নিয়ে কী ভাবছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার?
ইঙ্গিতপূর্ণভাবেই শুভঙ্কর বলছেন, “রাজনীতি একটা সম্ভাবনাময় শিল্প। কাল যা খুশি হতে পারে।” এরপরেই তাঁর সংযোজন, “রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব মেনে আমাদের দলে কেউ যদি আসেন যাঁর ধক থাকবে, দম থাকবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার জন্য। নিশ্চিতভাবে তাঁকে আমরা স্বাগত জানাব। কিন্তু যাঁরা দুর্নীতিগ্রস্ত তাঁরা কংগ্রেসের দিকে আসবে না। তাঁদের জন্য ওয়াশিং মেশিন দরকার।”