
কলকাতা: বদলে গিয়েছিল বাড়ির রূপ। রাতারাতি হয়ে গিয়েছিল গেস্ট হাউস। সেই গেস্ট হাউসে বিগত কয়েকদিন ধরে প্রচুর অচেনা ছেলে-মেয়েদের আনাগোনা চোখে পড়েছিল এলাকাবাসীর। খবর গিয়েছিল পুলিশে। হানা দিতেই চোখ কপালে উঠল পুলিশ কর্মীদের। দেখা গেল গেস্ট হাউসেই রমরমিয়ে চলছিল দেহ ব্যবসা। পাতা হয়েছিল মধুচক্রের ফাঁদ। চাঞ্চল্যকর ঘটনা সল্টলেকে। এদিন হানা দিয়ে গেস্ট হাউসের ম্যানেজার-সহ তিনজন কাস্টমারকে গ্রেফতার করে বিধাননগরের গোয়েন্দা শাখা ও পূর্ব থানার পুলিশ। উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে।
বিধান নগর পূর্ব থানার পুলিশ জানাচ্ছে, বেশ কিছুদিন ধরেই সল্টলেকের বি জে ব্লকের ৩০১ নম্বর বাড়ি নিয়ে নানা অভিযোগ আসছিল। রাতারাতি সেটিকে গেস্ট হাউসেরও রূপ দেওয়া হয়েছিল। সেই খবরের ভিত্তিতেই শনিবার রাতে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। দেখা যায় সেই সময় গেস্ট হাউসে রয়েছেন তিন জন পুরুষ ও তিন জন যুবতী। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। মধুচক্রের গন্ধ পেয়ে তদন্তে গতি আনে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ম্যানেজারকেও।
কিন্তু, ঠিকঠাক উত্তন না দিতে পারায় শেষ পর্যন্ত গেস্ট হাউসের ম্যানেজারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সঙ্গে গেস্ট হাউসে থাকা তিন কাস্টমারকেও গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। রবিবারই ধৃতদের বিধাননগর কোর্টে তোলা হবে বলে খবর। ঘটনার খবর চাউর হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। পুলিশি হানার খবর পেতেই অনেক কৌতূহলী জনতাকে গত রাতের পর এদিন সকালেও এই এলাকায় ঢুঁ মারতে দেখা যায়। শুরু হয় ফিসফাস। তবে এলাকাবাসীদের কেউ কেউ বলছেন, এ কাজ তো অনেকদিন থেকেই হচ্ছিল। আরও আগে ধরা উচিত ছিল।