
কলকাতা: অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের তরফে বহুতলটি ভাঙাও শুরু হয়েছিল। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় ভাঙার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়ে রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার ওই মামলাতেই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিচারপতি। মামলার পর পর কয়েকটি শুনানিতে সময় চাওয়ায় অভিষেকের আইনজীবীর উপর মঙ্গলবার অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। আইনজীবীকে সতর্কও করেন।
এদিন আমতলায় অভিষেকের কার্যালয় ভাঙা সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানে ফের সময় চান অভিষেকের আইনজীবী। তখনই অসন্তোষ প্রকাশ করে আইনজীবীকে সতর্ক করেন বিচারপতি। এরপর শুনানিতে অংশ না নিলে ওই নির্মাণ ভাঙার অন্তর্বতী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না বলে পর্যবেক্ষণে বলে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, সে দিন প্রস্তুত না হলে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হবে না। প্রসঙ্গত, এর আগে বিচারপতি ওই পার্টি অফিস ভাঙার বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
রাজ্যে পালাবদলের পর আমতলায় অভিষেকের ওই ঝাঁ চকচকে কার্যালয়ের বিরুদ্ধে সরব হন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওখানে আগে একটি বেকারি ছিল। সেই বেকারি জোর করে উঠিয়ে অভিষেকের কার্যালয় তৈরি হয় বলে অভিযোগ। গত ১৭ মে সুশান্ত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, অভিষেকের কার্যালয় অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করে প্রশাসন। গত ১৮ জুলাই ওই কার্যালয়ের একাংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়। পরের দিন ফের ভাঙার কাজ শুরু হয়। আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেইসময় কার্যালয় ভাঙার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু, মামলার শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী বারবার সময় চাওয়ায় এদিন অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর শুনানিতে কী হয়, সেটাই এখন দেখার।