
কলকাতা: ফের বিতর্কে যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজ। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ। অভিযোগ, কলেজের নিরাপত্তা রক্ষীর থেকে চাবি নিয়ে জোর করে কলেজে প্রবেশ! অভিযোগ জানানো হয় চারু মার্কেট থানায়। কলেজের অধ্যক্ষ পঙ্কজ রায় ই-মেইল করে অভিযোগ জানান চারু মার্কেট থানায়। অভিযোগ পেয়ে কলেজে আসে পুলিশ। কিন্তু ভিতর থেকে গেট বন্ধ দেখে ফিরে যায়। অভিযোগ পত্রে তৃণমূলের বিতর্কিত যুবনেতা সাব্বির আলি-সহ বেশ কয়েকজনের নাম থাকলেও কোন উত্তর দিয়ে নারাজ সাব্বির আলি।
প্রসঙ্গত, গত বছর সরস্বতী পুজোর সময়েই ব্যাপক বিতর্ক হয়েছিল এই যোগেশ চন্দ্র কলেজে। সরস্বতী পুজো করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল সাব্বির আলির বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে ধর্ষণ, খুনের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেবারও চারু মার্কেট থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই সময় তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক জলঘোলাও হয়। মাঠে নামেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছ থেকে।
যদিও সেই সময়েও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন সাব্বির। এবার ফের দোলে কলেজ বন্ধের নির্দেশ উপেক্ষা করে কলেজে ঢোকার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে গত বছরই আবার নতুন করে পদপ্রাপ্তিও হয় সাব্বিরের। সামনে আসে টিএমসিপি-র নতুন সাংগঠনিক সভাপতিদের নাম। ওই সময়ই দক্ষিণ কলকাতায় ছাত্র পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব ওঠে সাব্বিরের কাঁধে। এবার নতুন করে তাঁর নাম জড়াতে চাপানউতোর শুরু রাজনৈতিক মহলে।