Alipur Zoo: টকদই লাগবেই ভালুকের, শিম্পাঞ্জির আবার লস্যি না হলে একদম চলে না… গরমে সব কাহিল
Summer Diet: প্রয়োজন বুঝে কাউকে দেওয়া হয় ওআরএস, কেউ আবার রোজ খায় বাটি ভরে টক দই। মার্চের শেষ থেকেই এবার গরমে নাকাল হচ্ছে তারা। এবার আলিপুর চিড়িয়াখানায় প্রত্যেক পশুপাখিকে জলের সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস।

কলকাতা: এই গরমে মানুষ যেমন ঘেমেনেয়ে তেতেপুড়ে একসা! পশুপাখিদের কষ্টও নেহাত কম নয়। তবু মাঠে ঘাটে মুক্ত হয়ে যারা চড়ে বেড়ায় তাদের একরকম, চিড়িয়াখানায় খাঁচাবন্দিদের অবস্থা আরও শোচনীয়। আলিপুর চিড়িয়াখানায় গেলেই তা মালুম হবে। ‘লুকিয়ে’ থাকতে পারলে বাঁচে। প্রতিবারই গরম এলে চিড়িয়াখানার পশুপাখিরা স্পেশাল ডায়েটে চলে যায়।
প্রয়োজন বুঝে কাউকে দেওয়া হয় ওআরএস, কেউ আবার রোজ খায় বাটি ভরে টক দই। মার্চের শেষ থেকেই এবার গরমে নাকাল হচ্ছে তারা। এবার আলিপুর চিড়িয়াখানায় প্রত্যেক পশুপাখিকে জলের সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস।
পাখিদের দেওয়া হচ্ছে বেশি করে রসাল ফল। তরমুজ, আনারস মাস্ট। শিম্পাঞ্জি ও ভালুকদের পাতে নিয়ম করে পড়ছে টক দই। ঘোল, লস্যি থাকছে। যাদের মাংস ছাড়া মোটে চলে না, সেইসব মাংসাশীদের মাংস দেওয়া হচ্ছে ঠিকই। তবে পরিমাণে কম। স্নানের জন্য জল থাকছে পর্যাপ্ত। এনক্লোজারগুলি যাতে ঠান্ডা থাকে, তার জন্য জল ছড়ানো হচ্ছে নিয়ম করে। ফ্যান, কুলারও লাগানো হয় কারও কারও জন্য।
