
কলকাতা: অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে রাজ্যের মহিলাদের একাংশের মধ্যে অনেক উদ্বেগ রয়েছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা ঢোকেনি। তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আদৌ কি টাকা ঢুকবে? অ্যাপ খুললে দেখাচ্ছে ‘আন্ডার ইনকোয়ারি’। এই উদ্বেগের মধ্যেই আশ্বস্ত করছে শাসকদল। স্পষ্ট বলা হচ্ছে, অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।
রবিবার সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অস্থায়ী বাসভবনে বৈঠক করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার। বৈঠকে স্থির হয়েছে, অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে মহিলাদের মধ্যে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বাংলার কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে, তা নিরসন করার দায়িত্ব নিতে হবে এলাকার কর্মীদের, নেতাদের। তাঁদের গিয়ে বোঝাতে হবে, বহু ক্ষেত্রে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের কাজ আন্ডার প্রসেস রয়েছে। বেশ কিছু পদ্ধতিগত সমস্যা রয়েছে। তা মিটে গেলেই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা সংশ্লিষ্ট উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে। সেই বার্তা এলাকার মহিলাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এলাকারই কর্মীদের। জেলা সভাপতির কাঁধেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বৈঠকে স্পষ্ট একটি রূপরেখা নির্ধারিত হয়েছে, বাড়াতে হবে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা প্রদানের কাজ। মহিলাদের জনহিতকর প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।
মূলত ভেরিফিকেশনের কাজের জন্য কিছু এই প্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে, আর সেই বিষয়টি প্রত্যেক উপভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। গত মাসেই দেখা গিয়েছে, একাধিক জায়গায় পুরসভাগুলিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন উপভোক্তারা। সেক্ষেত্রে পুরসভায় তৃণমূল কর্মীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই ফর্ম পাঠাতে দেরি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খোদ এই অভিযোগ তুলেছেন চন্দনা বাউড়ি। বিষয়টি
পাশাপাশি বৈঠকে আরও একটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। নীচু তলায় কর্মীদের মধ্যে বেনো জল ঢোকার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। সেটা আটকাতে হবে। একই সঙ্গে