Anubrata Mondal: ‘তুমি চোখে দেখো না, কানে দেখো’, এ ভাবে ফোনে মমতাকে ভর্ৎসনা করেছিলেন কেষ্ট!

Anubrata Mondal news: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ আগেই ছেড়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। যোগ দিয়েছিলেন ঋত শিবিরে। ইতিমধ্যেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস পালন নিয়ে একপ্রস্ত বৈঠক করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেদিন অনুব্রত শারীরিক অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি।

Anubrata Mondal: তুমি চোখে দেখো না, কানে দেখো, এ ভাবে  ফোনে মমতাকে ভর্ৎসনা করেছিলেন কেষ্ট!
অনুব্রত মণ্ডল, বীরভূম জেলা সভাপতিImage Credit source: Facebook

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jul 15, 2026 | 5:03 PM

কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভরসার ‘কেষ্ট’। জেল থেকে ফিরে আসার পর যাঁকে বীরের সম্মান দিতে চেয়েছিলেন। সেই অনুব্রত মণ্ডল এখন ক্ষুব্ধ। আর কোনও রাখঢাক রাখছেন না। একদম সোজা-সাপ্টা বলছেন তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই নাকি জেলে গিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, কত কোটি টাকা সরকারকে রাজস্ব দিতেন তাও জানিয়ে দিলেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ আগেই ছেড়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। যোগ দিয়েছিলেন ঋত শিবিরে। ইতিমধ্যেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস পালন নিয়ে একপ্রস্ত বৈঠক করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেদিন অনুব্রত শারীরিক অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি। তবে, বুধবারের বৈঠকে সশরীরে হাজির হন কেষ্ট। মূলত আজকের বৈঠক ছিল জেলা সভাপতিদের নিয়ে। একুশে জুলাইয়ে সভাপতিদের কী কর্তব্য তারই দিক নির্দেশ ছিল আজ। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অনুব্রত। কী কী বললেন একঝলকে…

প্রশ্ন: আপনি কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকছেন?

অনুব্রত মণ্ডল: অনেক দিন ছিলাম…

প্রশ্ন: এখন আর নেই?

অনুব্রত মণ্ডল: এখন তৃণমূলে আছি

প্রশ্ন: নাহ আপনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন?

অনুব্রত মণ্ডল: আমি জেলে গেলাম কেন? কার জন্য গেলাম? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গেলাম।

প্রশ্ন: এই কারণে কি ঋতব্রতদের শিবিরে?

অনুব্রত মণ্ডল: ও সব বাজে কথা…

প্রশ্ন : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাকে ফোন করেছিলেন?

অনুব্রত মণ্ডল: নির্বাচনে হারার পর চারবার ফোন করেছিল। আমি বলেছি, তুমি চোখে দেখো না কানে দেখো।

অনুব্রত মণ্ডল: বীরভূমে একটা পাথর আছে জানেন তো? প্রতিদিন সাড়ে তিন কোটি টাকা আমি জমা দিতাম সরকারকে।

Follow Us