Bratya Basu on School Development: রাজ্যের ৪৩০টি স্কুলের ভোলবদল, হবে শিক্ষক নিয়োগ! টাকা দেবে আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্ক

Bratya Basu in News: কিন্তু কীভাবে হবে মানোন্নয়ন? কোন স্কুলগুলিকেই বা বাছাই করবে রাজ্যের শিক্ষা দফতর? ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, "প্রতিটি ব্লক থেকে একটি করে স্কুল এবং অনগ্রসর ব্লক থেকে দু'টি করে স্কুল বাছাই করা হবে। এই ভাবে মোট ৪৩০টি মডেল স্কুলকে বেছে নেওয়া হবে।" এই ৪৩০টি স্কুল হবে মাপকাঠি।

Bratya Basu on School Development: রাজ্যের ৪৩০টি স্কুলের ভোলবদল, হবে শিক্ষক নিয়োগ! টাকা দেবে আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্ক
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুImage Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Feb 26, 2026 | 8:51 PM

কলকাতা: রাজ্য়ের স্কুলগুলির শিক্ষার মান বাড়াতে তৎপর নবান্ন। বৃহস্পতিবার সেই মর্মেই ঘোষণা হল আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের। বেছে বেছে ‘পিছিয়ে পড়া’ স্কুলগুলিকে সামনের সারিতে তুলে ধরবে রাজ্য। পাঁচ বছরের মধ্যেই সম্পন্ন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ।

এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, “এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের সহায়তায় বাংলার স্কুলগুলির স্বার্থে একটি নতুন প্রকল্প শুরু হতে চলেছে। যার আওতায় রাজ্যের স্কুলগুলির শিক্ষার সম্প্রসারণ ঘটানো হবে। খরচ পড়বে মোট আড়াই হাজার কোটি টাকা।” এই টাকার ৭০ শতাংশ দেবে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক বা এডিবি। বাকি ৩০ শতাংশ দেবে রাজ্য।

কিন্তু কীভাবে হবে মানোন্নয়ন? কোন স্কুলগুলিকেই বা বাছাই করবে রাজ্যের শিক্ষা দফতর? ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, “প্রতিটি ব্লক থেকে একটি করে স্কুল এবং অনগ্রসর ব্লক থেকে দু’টি করে স্কুল বাছাই করা হবে। এই ভাবে মোট ৪৩০টি মডেল স্কুলকে বেছে নেওয়া হবে।” এই ৪৩০টি স্কুল হবে মাপকাঠি। যেখানে থাকবে ডিজিটাল পরিকাঠামো, স্মার্ট ক্লাসরুম, বিজ্ঞান ল্যাব ইত্যাদি। এছাড়াও বাছাই করা প্রতিটি স্কুলে ইংরেজি এবং বাংলা দুই ভাষাতেই পড়াশোনা হবে।

বর্তমান সময়ে বেসরকারি স্কুলগুলির নিরিখে দৌড়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে সরকারি স্কুলগুলি। আর্থিক অনটনকে ভুলে অনেক বাবা-মায়েরাই তাঁদের সন্তানকে পাঠাচ্ছেন নামীদামি বেসরকারি স্কুলে। কারণ একটাই বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রদান, যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারার লড়াই। এই পরিস্থিতিতে বেশির ভাগ সরকারি কিংবা সরকার পোষিত স্কুল হয়ে যাচ্ছে ফাঁকা। কোথাও শিক্ষক রয়েছে, নেই পড়ুয়া। কোথাও আবার উল্টোটা। যে সমস্যার কথা মেনে নিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রীও। ব্রাত্যর কথায়, “যে সকল স্কুলগুলিকে পড়ুয়া নিয়ে অনটন, তার একটা অন্যতম কারণ হয়ে যাচ্ছে অভিভাবকদের ইংরেজি মাধ্যমকে বেছে নেওয়া। সেই সমস্য়াকে মেটাতেই এই প্রকল্প। কিছু আগেই এই মডেলে একটি স্কুলকে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।” পাশাপাশি, নতুন পরিকাঠামোর জন্য শিক্ষক নিয়োগ হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।