কলকাতা: ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ তোলেননি। আর তুলবেনও না। তেমনটাই জানিয়ে দিলেন সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya)। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিকাশ ভট্টাচার্য। আজ টিভি ৯ বাংলার সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেন, “মুখ্যমন্ত্রী আপনাকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন।” তখনই বিকাশের উত্তর, “মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে আমি জানতে চাই? আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।”
এরপর তাঁর সংযোজন, “হুঁশিয়ারি গুণ্ডামি করে রাজনৈতিক জীবন চলছে ওদের। সাংবিধানিক বোধ যখন তৈরি হবে ভাষা পাল্টে যাবে। তখন যদিও ক্ষমতায় থাকতে পারবে না।” বিকাশ এও বলেন, “হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব দু’টি পরস্পর বিরোধী জিনিস। হিন্দু ধর্মকে ধ্বংস করছে হিন্দুত্ববাদ। যাঁরা যথার্থ হিন্দু তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না।”
কী নিয়ে গণ্ডগোল?
গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি এসে বিকাশের বাড়িতে হামলা চায়। সিসিটিভিতে দেখা যায়, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার পাশাপাশি মদের বোতল ছুড়ে মেরে আইনজীবীর বাড়ি ভাঙচুর করেছে। এই ঘটনার পর বিকাশ একটি পোস্ট করেন। সেখানে লেখেন হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা এই কাজ করেছে।
পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, বিকাশ যেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুত্ববাদী শব্দ তুলে নেন। কিন্তু দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীর ডেডলাইনের পরও বিকাশ পোস্ট সংশোধন করেননি। এ দিন তিনি বলেন, “আমি কেন ডিলিট করব? অপরাধ করবে ওরা… হিন্দুত্ববাদ প্রকৃতপক্ষে একধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। আর হিন্দুত্ব হল বহুত্ববাদ। সকলকে গ্রহণের তত্ত্ব। ওরা প্রকৃতপক্ষে হিন্দু ধর্মেরই বিরোধী।”
মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশের বার্তা, “গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। আর খিস্তি! যে ভাষায় বিজেপির ইকো সিস্টেম সোশ্যাল মিডিয়াতে কথা বলে সেটা সভ্য সমাজে বলে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যে প্রশ্ন করেছি তার জবাব নেই। এমনকী যে সকল হিন্দু সন্ন্যাসীরা বক্তব্য রাখছেন সেটা যখন আমার যুক্তির অনুসারী তাঁদের পর্যন্ত কুৎসা করছে।”
বিকাশ ভট্টাচার্যের দাবি, বাড়িতে ভাঙচুরের পিছনে যে ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছেন তিনি বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। তিনি বলেন,”যাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তিনি তো বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। আর তিনি যে ভাষায় কথা বলছেন, তাহলে বিজেপির ভাষা এটাই?”
কলকাতা: ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ তোলেননি। আর তুলবেনও না। তেমনটাই জানিয়ে দিলেন সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya)। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিকাশ ভট্টাচার্য। আজ টিভি ৯ বাংলার সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করেন, “মুখ্যমন্ত্রী আপনাকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন।” তখনই বিকাশের উত্তর, “মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে আমি জানতে চাই? আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।”
এরপর তাঁর সংযোজন, “হুঁশিয়ারি গুণ্ডামি করে রাজনৈতিক জীবন চলছে ওদের। সাংবিধানিক বোধ যখন তৈরি হবে ভাষা পাল্টে যাবে। তখন যদিও ক্ষমতায় থাকতে পারবে না।” বিকাশ এও বলেন, “হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব দু’টি পরস্পর বিরোধী জিনিস। হিন্দু ধর্মকে ধ্বংস করছে হিন্দুত্ববাদ। যাঁরা যথার্থ হিন্দু তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না।”
কী নিয়ে গণ্ডগোল?
গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি এসে বিকাশের বাড়িতে হামলা চায়। সিসিটিভিতে দেখা যায়, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার পাশাপাশি মদের বোতল ছুড়ে মেরে আইনজীবীর বাড়ি ভাঙচুর করেছে। এই ঘটনার পর বিকাশ একটি পোস্ট করেন। সেখানে লেখেন হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা এই কাজ করেছে।
পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, বিকাশ যেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুত্ববাদী শব্দ তুলে নেন। কিন্তু দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীর ডেডলাইনের পরও বিকাশ পোস্ট সংশোধন করেননি। এ দিন তিনি বলেন, “আমি কেন ডিলিট করব? অপরাধ করবে ওরা… হিন্দুত্ববাদ প্রকৃতপক্ষে একধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। আর হিন্দুত্ব হল বহুত্ববাদ। সকলকে গ্রহণের তত্ত্ব। ওরা প্রকৃতপক্ষে হিন্দু ধর্মেরই বিরোধী।”
মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশের বার্তা, “গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। আর খিস্তি! যে ভাষায় বিজেপির ইকো সিস্টেম সোশ্যাল মিডিয়াতে কথা বলে সেটা সভ্য সমাজে বলে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যে প্রশ্ন করেছি তার জবাব নেই। এমনকী যে সকল হিন্দু সন্ন্যাসীরা বক্তব্য রাখছেন সেটা যখন আমার যুক্তির অনুসারী তাঁদের পর্যন্ত কুৎসা করছে।”
বিকাশ ভট্টাচার্যের দাবি, বাড়িতে ভাঙচুরের পিছনে যে ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছেন তিনি বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। তিনি বলেন,”যাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তিনি তো বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। আর তিনি যে ভাষায় কথা বলছেন, তাহলে বিজেপির ভাষা এটাই?”