
কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের পরেই এবার মাদ্রাসা নিয়ে নড়েছে বসেছে সরকার। তথ্য সংগ্রহের জন্য শুরু হচ্ছে সমীক্ষা। জেলাশাসকদের কাছে যাচ্ছে চিঠি। প্রশাসনিক মহলে শুরু চর্চা। রাজ্যের সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে সকল জেলাশাসককে জন্য ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে নির্দেশিকা। সংগ্রহ করা হবে জেলার সমস্ত মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য। সেই কাজের জন্যব্লক ও পুরসভা ভিত্তিক সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হল সরকারের তরফে। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের প্রধান সচিবের তরফেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
অনুমোদিত, অননুমোদিত, নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত, বেসরকারি ও সম্প্রদায়-পরিচালিত, সকল প্রকার মাদ্রাসাই এই সমীক্ষার আওতায় থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। বর্তমানে কোন অবস্থায় রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি, কেমন পরিকাঠামো রয়েছে, শিক্ষাক্রম, ছাত্রছাত্রীদের তথ্য-সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
সূত্র মারফত এও জানা যাচ্ছে, এই সমীক্ষার হাত ধরেই শিক্ষা পরিকল্পনা, শিশু কল্যাণ এবং শিক্ষাগত নথি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে তৈরি করবে সরকার। সামগ্রিকভাবে তা হবে জেলা-ভিত্তিক। কোথাও অনিয়ম বা বেআইনি কার্যকলাপ হলে তা যদি ধরা পড়ে তাহলে তা চিহ্নিত করতেও এই সমীক্ষা সহায়ক হবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। নির্ধারিত ফরম্যাটে তথ্য সংগ্রহ করে আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে চিঠিতে স্পষ্টভাবে এটাও বলা হয়েছে যে এটা শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই নির্দেশের মাধ্যমে কোনও মাদ্রাসা বন্ধ, জোরপূর্বক ব্যবস্থা বা ছাত্রছাত্রী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। চলতি শিক্ষাবর্ষে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই স্বাভাবিকভাবে তাঁদের কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।