
কলকাতা: তীব্র জল্পনার মধ্যে অবশেষে রাজ্যসভার জন্য তিন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি। প্রত্যাশিতভাবেই কিছুক্ষণ আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়া তিন প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদকেই পুনরায় রাজ্যসভার সাংসদ করতে চলেছে তারা। আগামী ১৩ জুলাই সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন বলে এখনও পর্যন্ত খবর। জয়ের শংসাপত্র পাওয়া যে শুধু সময়ের অপেক্ষা তা বলাই বাহুল্য।
আগে তিন, চার, পাঁচ, ছয় যত আসনে নির্বাচন হত, সেখানে বিধায়ক সংখ্যা সমানভাগে ভাগ হত। কিন্তু নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে এবার বলা হয়েছে ‘থ্রি সেপারেট ইলেকশন’ বা তিনটি পৃথক নির্বাচন। ৩ জনের পৃথক সময়ের কারণে সেপারেট ইলেকশন বলেই মত নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা মানুষদের। অর্থাৎ একজন রাজ্যসভার প্রার্থীকে জিততে গেলে প্রয়োজন হবে ১৪৭ জন বিধায়কের সমর্থন।
শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আর হুমায়ুন কবীর রেজিনগর আসন ছেড়ে দেওয়ায় বর্তমানে রাজ্যের বিধায়ক সংখ্যা ২৯২। এখন ভোটের পথে যেতে হলে ৪টে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে হবে। কিন্তু ১৪৭ ভোট বিরোধীদের পক্ষে নেই। ওই সংখ্যক ভোট কেউ পাবে না, তারা সেটা জানে তাই প্রার্থী দেওয়ার পথে তাঁরা হাঁটবে না বলেই খবর। ফলে অনায়েসেই রাজ্যসভায় শক্তিবৃদ্ধি করতে চলেছে বিজেপি।
বিজেপির এখন রাজ্যসভার সাংসদ সংখ্যা ৩। আর ৩ হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সংখ্যা হতে চলছে ৬। ১৮ আগস্ট, ২০২৯ পর্যন্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল সুখেন্দু শেখর রায় আর প্রকাশ চিক বরাইকের। আর ২০৩০ সালের ২ এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ ছিল সুস্মিতা দেবের। আবারও তাই ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন। যদি মাঝের পর্বে ওই তিন সাংসদ কোনও কারণে পদত্যাগ না করেন, তাঁরা আবারও ওই সময় পর্যন্ত সাংসদ থাকবেন।