Sujit Bose Case: সুজিতকে জেলে রাখলে কী বেরিয়ে আসবে? উত্তরে বিস্ফোরক তথ্য দিল ইডি

Calcutta High Court: গত ১১ মে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। পুরসভায় অযোগ্য প্রার্থীদের টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তাতেই নাম জড়ায় সুজিতের। এর আগে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়ন শীল গ্রেফতার হয়েছিলেন।

Sujit Bose Case: সুজিতকে জেলে রাখলে কী বেরিয়ে আসবে? উত্তরে বিস্ফোরক তথ্য দিল ইডি
সুজিত বসুর জামিন মামলাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Aug 12, 2026 | 6:13 PM

কলকাতা: রাজ্যে সরকার বদলের কয়েকদিনের মধ্য়েই গ্রেফতার করা হয় বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজিত বসুকে (Sujit Bose)। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছিল আগেই। পরে গ্রেফতার হন প্রাক্তন মন্ত্রী। এবার তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে বিস্ফোরক তথ্য় দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুজিত বসু।

বুধবার ওই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ প্রশ্ন করেন, সুজিত বসুকে ইডি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা কোথায়?

সুজিতকে জেলে রেখে তদন্তে আর কী বেরিয়ে আসবে? ইডি-র উদ্দেশে এই প্রশ্ন করেন তিনি।

এএসজি এস ভি রাজু বলেন, সুজিত বসু কোনও সাধারণ অভিযুক্ত নন। সাধারণ ধারায় মামলা নয়। PMLA আইনে অভিযুক্ত সুজিত বসু। এরপরই দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরা হয় ইডি-র তরফে।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পুরনিয়োগে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি হয়েছে। চাকরি পিছু ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। সুজিত বসুর অ্যাকাউন্টে ৮.৮ কোটি টাকা মিলেছে বলেও দাবি ইডি-র। সুজিতের পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও মিলেছে কোটি কোটি টাকা। শেয়ার বাজারে বড় বিনিয়োগের কথাও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

ইডি আরও জানিয়েছে যে অয়ন শীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে যে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময় নিয়ে ১৫২ জনের চাকরির সুপারিশ করেছিলেন সুজিত বসু। ওএমআর (OMR) কারচুপি করে চাকরির অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ, প্রকৃত মেধাবী প্রার্থীরা সঠিক উত্তর দিলেও তাঁদের বঞ্চনা করা হয়েছে OMR কারচুপির মাধ্যমে।

ইডি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হেল্পার, মজদুর নানা পুরনিয়োগে নাম জড়িয়েছে ফিরহাদ হাকিম, পাঁচু রায়ের। নিতাই দত্তের বয়ানে উঠে এসেছে অযোগ্যদের চাকরির কথা। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিল পিছু চাকরির কোটা থাকত বলেও অভিযোগ উঠেছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us