
কলকাতা: আপাতত স্বস্তি মহুয়া মৈত্রর (Mohua moitra)। ৩১ অগস্ট বা পরবর্তী নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। ২৭ অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।
এ দিন, আদালতে পিপি কল্লোল মণ্ডল বলেন,”১৮ অগস্ট অর্ডার দেয় নিম্ন আদালত।” বিচারপতি বলেন, “প্রি কগ্নিজেন্স স্টেজেই কেন যাননি?” মহুয়ার আইনজীবীর দেবাশিস রায়ের সওয়াল, “ওই আদালতের সেই এক্তিয়ার নেই। এমপি এমএলএ আদালত করতে পারে।” বিচারপতি তখন বলেন, “এটা জামিনযোগ্য অপরাধ। আপনার যাওয়া দরকার।” মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী বলেন, “আমি গিয়েছিলাম। কোনও এফআইআর, পুলিশ কেস হয়নি। আমি লিগ্যাল স্টেপ নেওয়ার পর এফআইআর করেছে। আমি এই প্রশিডিং চ্যালেঞ্জ করছি। ১৬ জুন অপরপক্ষের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।”
মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড
গত ১৯ অগস্ট নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের তৃতীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই পরোয়ানা জারি করেছিল মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে। একাধিকবার তাঁকে সমন দেওয়া হলেও, তিনি হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ। অভিযোগ, মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২২৪ ধারার প্রক্রিয়া অনুযায়ী, অভিযোগকারীকে আদালতের তরফে একাধিকবার সমন জারি করা হয়েছিল। মহুয়ার বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে BNS-এর একাধিক ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। ৭৯ ধারা (নারীর শ্লীলতাহানি/মর্যাদাহানির অভিযোগ ১৯৬ ধারা (গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা উস্কে দেওয়ার অভিযোগ) ২৯৯ ধারা (ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ) ৩৫১ ধারা (অপরাধমূলক ভয় দেখানোর অভিযোগ) ৩৫৩(২) ধারা (বিদ্বেষমূলক বক্তব্য সংক্রান্ত অভিযোগ)। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।