
কলকাতা: ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে অভিযোগ আগেই উঠেছে। গণনাকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। গণনার দিন বিকেলে ছুটে গিয়েছিলেন খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সব শেষে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ফলাফলকেই চ্যালেঞ্জ করেছেন মমতা। শুনানি চলছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের বেঞ্চে। মামলার শুনানির শুরুতেই এদিন একটি বিষয় পরিষ্কার জানিয়ে দেন বিচারপতি।
বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত এদিন মামলার শুরুতেই বলেন, “আমার দাদা ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র। তাই আপত্তি থাকলে মামলা করবেন না।” তবে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁদের সম্পূর্ণ বিশ্বাস আছে বিচারপতির উপর। বিচারপতি স্বাধীনভাবেই কাজ করবেন আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিচারপতি তাঁকে বলেছেন, ‘মিস্টার বন্দ্যোপাধ্যায়, আমার দাদা বিজেপির স্পোকসপার্সন। মামলাটা আমি শুনব কি না তুমিই বল।’ এ কথা শুনে কল্যাণ বলেছেন, “আমি একজন জজের কাছে এসেছি। বিশ্বাস আছে বলেই তো এসেছি। যেদিন থেকে বিচারপতিকে অবিশ্বাস করতে শুরু করব, আস্থা হারিয়ে যাবে, সেদিন আমাকে রিটায়ার করতে হবে।”
ভবানীপুরের ফলাফল সংক্রান্ত ওই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, নির্বাচনে গণনা কেন্দ্রের যাবতীয় সিসিটিভি ফুটেজের সংরক্ষণ করতে হবে। আদালতের নির্দেশ ছাড়া মুছে ফেলা যাবে না ওই ফুটেজ। সব ইভিএম ও ভিভিপ্যাট (ভবানীপুরের) সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ২ মাস পর ফের এই মামলার শুনানি হবে।