Calcutta High Court: ক্যামাক স্ট্রিট নিয়ে বড় খবর, কী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট?

Camac Street Office Fire Notice: ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম ও অষ্টম তলায় অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ নয়। এমনই অভিযোগ তুলে অবিলম্বে ওই দু’টি তল খালির নোটিস দিয়েছিল দমকল। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে গিয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল।

Calcutta High Court: ক্যামাক স্ট্রিট নিয়ে বড় খবর, কী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট?
কী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Sep 16, 2026 | 11:43 AM

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টে সাময়িক স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস খালি করা নিয়ে দমকলের নোটিস খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। গত ৪ সেপ্টেম্বর দমকল যে নোটিস দিয়েছিল, বুধবার তা খারিজ করল হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঞ্চল বেঞ্চ। বিচারপতি নির্দেশ দিলেন, কালীঘাট তৃণমূলকে নতু করে নোটিস দিয়ে পরিদর্শন করবে দমকল। সুরক্ষার জন্য ওই অফিসে কী কী প্রয়োজন, তা দমকলকে জানাতে হবে। কালীঘাট তৃণমূলকে সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য ওই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে। যদি কালীঘাট তৃণমূল পদক্ষেপ না করে, তবে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে পারবে দমকল।

ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম ও অষ্টম তলায় অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ নয়। এমনই অভিযোগ তুলে অবিলম্বে ওই দু’টি তল খালির নোটিস দিয়েছিল দমকল। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে গিয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল।

গত ১১ সেপ্টেম্বর এই মামলার শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করেছিলেন, “ক্যামাক স্ট্রিকের দু’টি তলা লিজ নেওয়া হয়। এই বছরের ২৬ অগস্ট লিজ বাতিল করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে মামলা হয় নিম্ন আদালতে। এখন অগ্নিনির্বাপণ বিভাগ পদক্ষেপ করে বলছে যে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ। দমকল আধিকারিকরা ভবনটি পরিদর্শন করেন এবং ছাদে বেআইনি নির্মাণ ও সপ্তম তলায় বেশ কয়েকটি গ্যাসের সিলিন্ডার রাখা আছে বলে জানিয়েছেন। সেক্ষেত্রে পুরো ভবনটিতেই অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয় বলে ঘোষণা করা উচিত ছিল। কিন্তু অগ্নিনির্বাপণ বিভাগ কেবল দু’টি তলাকেই নিরাপদ নয় বলেছে। সিলিন্ডারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি ভবনের মালিককেই ঠিক করতে হবে।”

ওইদিন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিত মিত্র তাঁর সওয়ালে বলেছিলেন, সাত তলায় অনেক সিলিন্ডার পাওয়া গিয়েছে। এটা অস্বীকার করেননি মালিক। কিন্তু, তা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়নি। শুধু প্রশ্ন তুলেছে এটা অপ্রয়োজনীয়। ফায়ার এলার্ম কাজ করছিল না। ৪৫ ফায়ার স্প্রিংকাল থাকলেও সেগুলি অন্যান্য তল থেকে অনেক কম। অনেক কিছুই ডিফেক্টিভ ও নন ফংশান ছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল, এগুলি মালিকের দায়িত্ব।

দুই পক্ষের সওয়ালের পর ওইদিন দমকলের নোটিসে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। এদিন তিনি দমকলের ওই নোটিস খারিজ করে দেন। বিচারপতি নির্দেশ দেন, মামলাকারীকে নোটিস পাঠিয়ে পরির্দশন করতে হবে দমকলকে। সুরক্ষার জন্য কী কী করতে হবে, সেটাও জানাবে দমকল। তারপরও ফায়ার সেফটি সঠিকভাবে মানা না হলে দমকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us