Chandrima Bhattacharya: ২৪ ঘণ্টা আগেও ছিলেন পার্টি অফিসে, শুধু মমতার এই একটা কথাতেই সব সম্পর্ক ত্যাগ চন্দ্রিমার

Chandrima Bhattacharya Resigns: রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর দাবি, ছেলে ঋতব্রত শিবিরের বৈঠকে যাওয়ার পর, তিনি ছেলের সঙ্গে দেখা করাও কার্যত বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সব বৈঠক, সম্মেলনে নিয়মিত যাচ্ছিলেন তিনি। আনুগত্য প্রদর্শনে কোনও খামতি রাখেননি। তারপরও এই সিদ্ধান্ত!

Chandrima Bhattacharya: ২৪ ঘণ্টা আগেও ছিলেন পার্টি অফিসে, শুধু মমতার এই একটা কথাতেই সব সম্পর্ক ত্যাগ চন্দ্রিমার
তৃণমূল-ত্যাগ চন্দ্রিমারImage Credit source: Getty Image

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jul 04, 2026 | 2:37 PM

কলকাতা: ৩ জুন তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী পদ দেওয়া হয়েছিল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে (Chandrima Bhattacharya)। শনিবার সেই পদ সহ সব পদে ইস্তফা দিলেন নেত্রী। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রশ্ন উঠেছে, পরাজয়ের পরও যে নেত্রী দিনের পর দিন মমতার পাশে থেকেছেন, নিয়মিত কালীঘাটে গিয়েছেন, তৃণমূলের (Trinamool Congress) পার্টি অফিসে বসেছেন, তাঁর হঠাৎ কী এমন হল?

২৪ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ শুক্রবারও মেট্রোপলিটনে তৃণমূলের পার্টি অফিসে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা। ঋতব্রত শিবিরের নেতারা যখন ওই ভবনে প্রবেশ করেন, তখনও ছিলেন চন্দ্রিমা। পরে বেরিয়ে যান তিনি। আর শনিবারই ইস্তফা। এর মধ্যে কী এমন ঘটল?

কী বললেন চন্দ্রিমা?

“আমি আনুগত্য দেখানোর চেষ্টা করেছিলাম। কোথাও খামতি ছিল না। আমি এ ব্যাপারে নিজের কাছে পরিষ্কার। কিন্তু দেখলাম, সেটাই প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়ল। তৃণমূল ভবনে গতকাল যা ঘটেছে, সেটা নিয়ে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বললাম, উনি আমাকে বললেন, ‘ভবনটা ওদের হাতে তুলে দিলে?’ আমি তো কিছুই তুলে দিই নি। প্রতিদিন যতক্ষণ থাকি, ততক্ষণই ছিলাম। আমার কাছে কেউ আসেনি। আমার সঙ্গে ওদের দেখাও হয়নি।”

চন্দ্রিমার কথায়, “ওরা ঢুকেছে, আমি দেখিনি। আমার ঘরে কেউ আসেনি। আমাকে বলা হল, আমি ওদের হাতে তুলে দিয়েছি। আমার দুঃখ লেগেছে।” তাঁর দাবি, এই কথায় তাঁর আনুগত্য প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন চন্দ্রিমা। তবে ঋতব্রত শিবিরে যাওয়ার ব্যাপারে কোনও কথা বলেননি তিনি।

গত ২২ জুন ঋতব্রত শিবিরের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা-পুত্র সৌরভ বসু। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চন্দ্রিমা বলেন, “আমার ছেলের বয়স ৪৭। এটা ওর নিজের সিদ্ধান্ত। এখন বললে আর কেউ বিশ্বাস করবে না যে ওই মিটিং-এ ছেলে যাওয়ার পর বাড়িতে রাজনৈতিক বিষয়ে ছেলের সঙ্গে আমি কোনও কথাই বলিনি। এমনকী ওর অফিসে যাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছিলাম। পার্টি অফিস থেকে সোজা বাড়ি চলে যেতাম।”

Follow Us