
কলকাতা: চোরবাগান সর্বজনীন পুজোয় মৃত্যুমিছিল। অপ্রত্যাশিত এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসল রাজ্য প্রশাসন ও সরকার। পূজোর দিনগুলোতে নিরাপত্তা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৎপরতা তুঙ্গে। এদিন ভবানী ভবনে একটি উচ্চ পর্যায়ের জরুরি বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সূত্রের খবর, রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলা শাসক (DM), পুলিশ কমিশনার (CP), জেলা পুলিশ সুপার (SP) এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সচিবদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। আসন্ন পূজোর দিনগুলিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় কী কী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তার একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে এই বৈঠকে।
এদিনের বৈঠকে মূলত বেশ কিছু বিষয়ে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:
নিরাপত্তা জোরদার: পুজো মণ্ডপ এবং জনবহুল এলাকায় পুলিশি নজরদারি বহুগুণ বাড়ানোর নির্দেশ।
জরুরি পরিষেবা: বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে সর্বদা প্রস্তুত রাখা এবং যেকোনো পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার বার্তা।
সমন্বয় রক্ষা: জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও নিবিড় করার ওপর বিশেষ জোর।
আপাতত শহরের পাঁচটি মণ্ডপে দর্শক প্রবেশে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ‘টালা প্রত্যয়ে’। অন্যদিকে, ‘চেতলা অগ্রণী’-তেও আপাতত দর্শক প্রবেশে ‘না’। এরপর ‘আলিপুর সর্বজনীন’ ও দর্শকদের জন্য বন্ধ রয়েছে। এই বছর পার্কস্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে প্রথম পুজো করছেন বিজেপির শঙ্কু দেব পন্ডা। সেই পুজোও আপাতত দর্শকদের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।