
কলকাতা: বিরোধী দলের রেজলিউশনে সই নিয়ে বিভ্রান্তি। পরপর সিআইডি হানা। রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর। বিধানসভার প্রধান সচিবের অভিযোগের ভিত্তিতেই জোরকদমে চলছে তদন্ত। চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের পর এবার বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতেও গেল সিআইডি। যদিও বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে দেখা হয়নি বলেই সূত্রের দাবি। কুণাল ঘোষের অন্যত্র কর্মসূচি ছিল। কুণাল ঘোষের বাড়িতে পুলিশের তরফে প্রয়োজনীয় নথি দিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর। ফোনে কুণাল ঘোষের কথা বলেছেন পুলিশ আধিকারিকরা।
সূত্রের দাবি, কয়েকদিনের মধ্যে এই বিষয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করবেন। সেখানেই বিষয়টি কথা বলবেন বেলেঘাটার ঘাসফুলের প্রতীকে নির্বাচিত বিধায়ক। এর আগে নয়নার বাড়িতে একেবারে হ্য়ান্ড রাইটিং এক্সপার্টকে নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিল সিআইডি-র টিম। প্রায় দেড় ঘণ্টা সেখানে থাকেন তদন্তকারীরা। তারপর সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
সূত্রের খবর, রেজলিউশনে সইয়ের সঙ্গে এবার তারিখ গড়মিল নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রথম দিন তৃণমূল পরিষদীয় দলের যে বৈঠক হয় সেই বৈঠকের পর শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়ের নামের সপক্ষে একটি চিঠি দেওয়া হয় বিধানসভায়। এরপর রেজোলিউশন চায় বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। তখনই রেজোলিউশন-সহ ৭০ জনের সই ও তারিখ জমা দেওয়া হয়। এখানেই একের পর এক সই-তারিখ নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বাড়ছে জটিলতা।