Suvendu Adhikari: শুভেন্দু অধিকারী: বিরোধীদের প্রথম অভিযোগ তাঁরা আক্রান্ত। এরা বলছে, খাপ পঞ্চায়েত, ক্যাঙারু কোর্ট। বিরোধী দলনেতাকে হিসাব দেব। একুশের সঙ্গে তুলনা হলে দেখা যাবে। আখরুজ্জামান সাহেব কংগ্রেস থেকে আপনি এসেছিলেন- শাসকের স্বাদ নিতে।
বিধানসভায় চলছে অধিবেশন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে জবাবি ভাষণ শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কী কী বললেন তিনি? এক নজরে
সর্বশেষ তথ্য উপরে?
শুভেন্দু অধিকারী: সই জালিয়াতিতে আমাদের ভূমিকা নেই। তৃণমূলেরই এমএলএ-রা এই সই করেছেন। দেখা গেছে ১৩ জনের অরিজিনাল সই নয়। তাঁরা বলেছেন অরিজিনাল সই নয়।
শুভেন্দু অধিকারী: এখনও সময় আছে কেউ পালাতে চাইলে পালান। হাকিমপুর দিয়ে অনেকে পালিয়েছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আর বাংলাকে সুরক্ষিত মজবুত করার নীতি পরিষ্কার। এই বিষয়ে আঙুল তুললে যে দেশে যে আচার। যে যে কথা বোঝে তাঁকে সেই ভাষায় উত্তর দেব।
শুভেন্দু অধিকারী: কেন BSF-কে জমি দেওয়া হয়নি? কথায়-কথায় বিএসএফকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেছে। জমি দিয়ে নিন্দা করতে পারতেন।
শুভেন্দু অধিকারী: আপনাদের কেউ কেউ বলেছে SIR। কারা অনুপ্রবেশকারী সব দেখা গেছে। ভারত সরকারের আইন কার্যকর করেছি। আমাদের টাকাতে সরকারি প্রকল্প হবে। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের জেলের খাওয়ার কাপড় ওষুধ দিতে পারব না। কোনও ভারতীয়র দুঃশিন্তা নেই। তিনি যে সম্প্রদায়ের হোন না কেন। এখনও অবধি ১০ হাজার বের করেছি। ১২ টা হোল্ডিং সেন্টারে ১৮০০ অপেক্ষা করছি। রোজ ওপারে পাঠাচ্ছি।
শুভেন্দু অধিকারী: বিরোধী দলনেতা আপনার বক্তৃতা ছিল কমিউনিস্ট আন্জোলনের মতো। পশ্চিমবাংলার বিরোধী দলনেতার মতো বক্তব্য ছিল না। আপনার মস্তিষ্কে কার্ল-মার্কস আর হৃদয়ে লেলিন অথবা মাও সে দং আছে। যাঁরা রবীন্দ্রনাথকে বুর্জোয়া কবি বলেছিল তাঁদের থেকে উপদেশ নেব না। বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ- অবনীন্দ্রনাথের বাড়ি আক্রান্ত বললেন না কেন? অসংখ্য তালিকা আছে।
শুভেন্দু অধিকারী: পুস্পা ঝুকেগা নেহি? পুস্পা মার্কেটে নেহি। বিরোধী দলনেতা বক্তৃতাতে সোরাহাবর্দি থেকে শাহজালাল। আমি আপনাকে বলেছি- কার নাম কে পরিবর্তন করেছে আমার জানা নেই। আমি যখন ৭ পয়েন্ট দিয়ে যাতায়াত করি তখন দেখি সোহারাবর্দির নাম ছিল। সেই নাম থাকবে না। কালামের মতো কোনও প্রকৃত দেশভক্ত-রাষ্ট্রভক্তের নাম দরকার আছে। নিশ্চয় মর্যাদা দেব। সাবিনা ইয়াসমিন আমায় বলেছেন। বিপ্লবী বীণা দাসকে ধরিয়ে দিয়ে নাইট উপাধি পেয়েছিলেন সোহারাবর্দি। নতুন করে নামকরণের মূল্যায়ন কমিটি করছি।
শুভেন্দু অধিকারী: আপনার নেত্রী কী কী করেছেন? বিজিবিএস- খুব বড় বড় কথা বলেন? এই ৩২৪.৭৩ কোটি টাকা ফিকিকে দিয়েছেন। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ফিকিকে সরাসরি ৩২৪.৭৩ কোটি টাকা মমতা দিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন মেয়র শুনবেন। আমরা এই রাজ্যকে দাঁড় করাতে চাই। আমাকে অনুমতি দেওয়া হত না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বললেন- রানি রাসমণিতে বসব। পুলিশ আমায় জিজ্ঞাসা করল কী করব? আমি বললাম ওয়াই চ্যানেলে দিন। যত খুশি মিছিল করুন। এগারোর পরিবর্তনে আমি রাস্তায় ছিলাম। আমি জানি আর আসতে পারবেন না।
শুভেন্দু অধিকারী: বাঁকুড়ায় কতুলপুরে আলুচাষী আত্মহত্যা করেছেন। আমি গেছি হরকালী প্রতিহার আমায় আটেকেছে। ভবানীপুরে হোলিকা দহন করতে দেননি, রামনবমীর মিছিলে হাঁটতে দেননি, মোথাবাড়িতে হাঁটতে দেননি, ধুলিয়ানে হিন্দু গ্রাম লুঠ করেছেন, আমাকে ঢুকতে দেননি। মহেশতলায় তুলসিমঞ্চ তুলে ফেলে দিলেন, রবীন্দ্রনগরে হাইকোর্ট করে গেছি। রাজভবনে ঢুকতে দেননি, কলকাতা পুলিশকে দিয়ে তাড়িয়েছেন। হাইকোর্ট করে গেছি। তখনই বলেছিলাম প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। যা করেছেন, পৃথিবী গোল। জনতা শিক্ষা দেবে। শিক্ষা দিয়ে দিয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী: মন্ত্রীরা আগে ভয়ে থরথর করে কাঁপত। আমরা তো প্রথম দিন থেকে ডাকছি। আমাদের কর্মীরা এতে রেগেও যাচ্ছে। বিরোধীদের প্রতিটি প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকা হয়েছে। তৃণমূল সরকার পাঁচ বছরে কতবার হাউস থেকে বের করেছেন? পাঁচ বার বের করেছেন। সাড়ে ১১ মাস বাইরে রেখেছেন। কত মামলা করেছেন? ১০২ মামলা হয়েছে। আমরা এখনও বলিনি মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগাতে।
শুভেন্দু অধিকারী: তামান্নার কথা উঠল না কেন? উপনির্বাচনে তামান্নাকে খুন করা হয়। ওঁর মা বিচার পায়নি।
শুভেন্দু অধিকারী: একুশের অত্যাচার সভ্য দেশে হয় না। বিরোধী প্রার্থীকে খুন করেছেন, কাউন্টিং হলে। এক লক্ষ্যের বেশি বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। ১১০০ FIR হয়েছে। বাকি হয়নি। মৃত্যুর সংখ্যা ৫৭। আপনাদের আগে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
শুভেন্দু অধিকারী: বিরোধীদের প্রথম অভিযোগ তাঁরা আক্রান্ত। এরা বলছে, খাপ পঞ্চায়েত, ক্যাঙারু কোর্ট। বিরোধী দলনেতাকে হিসাব দেব। একুশের সঙ্গে তুলনা হলে দেখা যাবে। আখরুজ্জামান সাহেব কংগ্রেস থেকে আপনি এসেছিলেন- শাসকের স্বাদ নিতে।
শুভেন্দু অধিকারী:কিছুক্ষণ আগে কলকাতা জুড়ে ঝড়ের ব্যাপক তাণ্ডব হয়েছে। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রশাসন সবটা দেখছে।
শুভেন্দু অধিকারী: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্য়ায়ের আত্মবলিদান দিবল। তাঁর যে স্লোগান ছিল এক দেশ-এক প্রধান-এক নিসান-এক বিধান তাকে শ্রদ্ধা রেখে ৩৭০ ও ৩৫ এ-র বিরুদ্ধে তার লড়াই ছিল যা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই কালা কানুন থেকে দেশ মুক্তি পেয়েছে।