Bangla NewsKolkata CM Suvendu Adhikari Predicts TMC Will Fight NOTA in Bengal After Falta Bypoll Debacle
‘বাংলায় নোটার সঙ্গে লড়াই হবে তৃণমূলের’, ফলতার ফল বেরতেই ভবিষ্যদ্বাণী শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari Mocks TMC After Falta Loss: নাম না করে অভিষেককে 'বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল' বলে উল্লেখ করে শুভেন্দু লেখেন, 'প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কোনও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’।'
কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেল। আর সেই মডেলের অন্যতম অংশ ফলতা। সেই ফলতাতে ২ বছর আগে লোকসভা নির্বাচনে ১ লক্ষ ৬৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন অভিষেক। রবিবার সেই ফলতাতেই পুনর্নির্বাচনে ১ লক্ষের বেশি ভোটে হারল তৃণমূল। শুধু হারা নয়, চতুর্থ স্থানে শেষ করলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। আর ফলতার ফল বেরতেই তৃণমূলকে খোঁচা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখলেন, ‘আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে নির্বাচনে ‘নোটা’-র বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।’
গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে ফলতার বহু বুথে ইভিএমে সেলোটেপ দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। এরপরই ফলতায় পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সেইসময় অভিষেক বলেছিলেন, ‘দশ জন্মেও আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলকে দমাতে পারবে না। দিল্লি থেকে যত শক্তশালী, যাকে খুশি আনুন, ক্ষমতা থাকলে ফলতায় লড়ে দেখাও।’
এদিন ফলতার ফল বেরনোর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু লেখেন, ‘কুখ্যাত ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেল পরিণত হল ‘তৃণমূলের হার-বার’ মডেলে !!!’ বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য ফলতার ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুঠ, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে এই দলের নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল।’
নাম না করে অভিষেককে নিশানা শুভেন্দুর-
নাম না করে অভিষেককে ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’ বলে উল্লেখ করে শুভেন্দু লেখেন, ‘প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কোনও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’। ফলস্বরূপ, বিগত নির্বাচনকে পরিহাসে পরিণত করে এই বিধানসভা ক্ষেত্রে দেড় লাখ ভোটের লিড নিয়েছিল তৃণমূল। ১৫ বছর পরে যখন মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেলেন, তখন আসল বাস্তব প্রকাশিত হল।’
‘আগামিদিনে বাংলায় নোটার সঙ্গে লড়াই হবে তৃণমূলের’-
বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে বলে বার্তা দিয়ে শুভেন্দু লেখেন, ‘এ তো সবে শুরু, প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এবার অতিক্রম করতে হবে। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে নির্বাচনে ‘নোটা’-র বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ‘নোটা’-র কাছেও পরাজিত হয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গেও এই জমজমাট লড়াই প্রত্যক্ষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী…।’