
কলকাতা: ‘যাদবপুরে জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করবই’। আগেই বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই পথেই কি এবার হাঁটছেন তিনি? কারণ, ২৮ অগস্ট অর্থাৎ শুক্রবার যাদবপুর ৮ বি বাসস্ট্যান্ডে বন্দে-মাতরম গাইতে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। দশ হাজার কণ্ঠে গাওয়া হবে বন্দে-মাতরম গান।
গত সপ্তাহের বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অশান্তির ঘটনা ঘটে। বাম ছাত্র সংগঠন ও ABVP-র মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দু’পক্ষের হাতাহাতিতে আহত হন অনেক ছাত্র। হাসপাতালেও ভর্তি করা হয় তাঁদের। এই ঘটনায় দু’পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে। এমনকী, যাদবপুরে অশান্তিতে ভাঙচুর করা হয় নন্দলাল বসুর তৈরি করা শতদল এমব্লেম।
এরপর যাদবপুরে অশান্তির ঘটনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দে মাতরম্ গাইতে দেয় না। জাতীয় পতাকা ওড়ে না সেখানে। শিক্ষা দফতরকে ঢুকতে দেয়নি। সিসিক্যামেরা লাগাতে দেয় না। কিন্তু আমরা যাদবপুরের ভিতরে ও বাইরে জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করবই।” এও বলেন, “তাঁর সংযোজন, “যাঁরা ২৬ জানুয়ারি বা ১৫ অগস্ট পালন করেন না, সংবাদমাধ্যমের একাংশ তাঁদের পক্ষ নিয়ে যতই ‘আহা-উহু’ করুক, সরকার নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরবে না। এই সরকার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্যে এসেছে। রাষ্ট্রবাদ, সনাতন সংস্কৃতি, বন্দে মাতরম্, তেরঙ্গা, রবীন্দ্রনাথ-নেতাজি-বঙ্কিমচন্দ্র কিংবা কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর ও তারকেশ্বর ধামের আস্থার সঙ্গে কোনও সমঝোতা করা হবে না।”
এরপর ঘোষণা করেন দশ হাজার কণ্ঠে গাওয়া হবে বন্দে-মাতরম। ঠিক তেমনই হল। যাদবপুরে আগামী শুক্রবার গাওয়া হবে বন্দে-মাতরম। বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির তরফে কর্মসূচির আহ্বান করা হয়েছে। উপস্থিত থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী।