
কলকাতা: তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) মারধর। কাদা ছোড়াছুড়ি। জামা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ। এরপর রবিবার আবার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারধরের অভিযোগ। পরপর দু’দিন মার খেলেন তৃণমূল সাংসদরা। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (bikash bhattacharya)। কী বললেন তিনি?
সম্প্রতি, প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সি ও তাঁর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি মামলা লড়েন বিকাশবাবু। সেই নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। দলেরই একাংশ কর্মীরা তাঁর উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তারই মধ্যেই ঘৃতাহুতি পড়ে যখন বিকাশ মন্তব্য করে বসেন, “মমতার যখন কেউ থাকবে না, তাঁর পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য আমি থাকব।” এই সকল চর্চার মধ্যেই এবার তিনি অভিষেক ও কল্যাণের উপর নিগ্রহের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘যুবরাজ’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, “এভাবে শারীরিক আক্রমণ সুস্থ ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না।” তাঁর দাবি, বিজেপি ও তৃণমূল দুই দলই কমিউনিস্টদের আটকাতে চাইছে। সেই কারণেই চক্রান্ত করে এই সব চলছে। বিকাশ লিখেছেন, “বিজেপি ওতৃণমূল দুটি দলই অন্ধ কমিউনিস্ট বিরোধী আচরণ করে গুন্ডামি কে লালন করার পরিণতির কুচিত্র প্রকাশ পাচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর কাটছাট করা হয় অভিষেকের নিরাপত্তায়। গতকাল সোনারপুরে মারধর খাওয়ার পর পুনরায় X ক্যাটাগরির নিরাপত্তা তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। গতকাল সুজন চক্রবর্তী প্রশ্ন তুলেছিলেন, “এই ঘটনা ঘুরপথে তৃণমূলকে দম দেওয়ার বা অভিষেকের Z ক্যাটেগরি ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয় নয় তো?” অর্থাৎ বিজেপি ও তৃণমূল দু’য়ে মিলে এই কাজ করছে বলেই ঘুরিয়ে মন্তব্য সিপিএম নেতাদের।