HS Exam: পর্যাপ্ত উপস্থিতি না থাকায় পরীক্ষায় ‘না’, স্কুলে শিক্ষকদের আটকে দিল বেহালার উচ্চমাধ্যমিকের পড়ুয়ারা

HS Exam: স্কুলের সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, তাঁদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করা হচ্ছে। সকলকেইই পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনাতেও কোনও সমাধান সূত্র না মেলাতে শেষে স্কুলেই ঘেরাও অবস্থান শুরু করে দেয় বেশ কিছু পড়ুয়া।

HS Exam: পর্যাপ্ত উপস্থিতি না থাকায় পরীক্ষায় ‘না’, স্কুলে শিক্ষকদের আটকে দিল বেহালার উচ্চমাধ্যমিকের পড়ুয়ারা
ব্যাপক উত্তেজনা স্কুলে Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 27, 2025 | 7:45 PM

সুমন মহাপাত্র ও সৌভিক সরকারের রিপোর্ট 

কলকাতা: বেহালা হাইস্কুলে একেবারে ধুন্ধুমার কাণ্ড। স্কুলেই শিক্ষকদের আটকে দিল পড়ুয়ারা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত উপস্থিতি না থাকায় উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি বেশ কিছু পড়ুয়াকে। কিন্তু, স্কুলের সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, তাঁদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করা হচ্ছে। সকলকেইই পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনাতেও কোনও সমাধান সূত্র না মেলাতে শেষে স্কুলেই ঘেরাও অবস্থান শুরু করে দেয় বেশ কিছু পড়ুয়া। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশও। তখনও স্কুলে আটকে প্রায় ২০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা। 

সূত্রের খবর, আন্দোলনকারীরা সকলেই একাদশ শ্রেণির সেকেন্ড সেমেস্টারের পড়ুয়া। প্রায় ৮০ জনের উপস্থিতির হার ৫০ শতাংশের নিচে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সেমেস্টার সিস্টেমে হবে উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা। এই সকল পডুয়াই আগামী বছর উচ্চমাধ্যমিকের ফাইনাল সেমেস্টার দিতে চলেছে বলে খবর। এদিকে নতুন সিস্টেম বলছে, উচ্চমাধ্যমিকে একাদশ শ্রেণিতে থেকে শুরু হওয়া চারটি সেমেস্টারের নম্বরই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, আর ‘গুরুত্বহীন’ নয় একাদশের নম্বর। 

স্কুল সূত্রে খবর, হাজিরা খাতা চেক করে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু পড়ুয়ারা উপস্থিতির হার  পরীক্ষায় বসার উপযুক্ত নয়। সে কারণেই তাঁদের আটকানো হয়। কিন্তু, আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের দাবি, তাঁদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করা হচ্ছে। রীতিমতো ক্ষোভের সঙ্গে এক ছাত্রী বলে উঠল, “আমার ৪০ পার্সেন্ট হয়ে গিয়েছিল। আর কয়েকদিন হলে যা প্রয়োজন তাও হয়ে যেত। ক্লাস টিচার বলেছিলেন পরীক্ষার আগে পর্যন্ত এসো। তোমার অ্য়াটেনডেন্স ঠিত হয়ে যাবে। কিন্তু হুট করে স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। আমরা চাই এবার অন্তত আমাদের সুযোগ দেওয়া হোক।”   

Follow Us