কলকাতা: রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার বনগাঁর তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যকে আদালতে পেশ করে ১৪ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতের জন্য আবেদন জানায় ইডি। রেশন দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে এবার আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির তরফে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে আইনজীবী দাবি করেন, রেশনে ১০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তার মধ্যে ২৭০০ কোটি টাকা পাচার হয়েছিল দুবাইয়ে। ইডির তরফে আরও দাবি করা হয়, শঙ্কর আঢ্যর সংস্থার মাধ্যমেই টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছিল।
ইডির আইনজীবী এদিন নগর দায়রা আদালতে বলেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির (শঙ্কর আঢ্য) অনেক এজেন্সি আছে। সেই এজেন্সিগুলির মাধ্যমেই বৈদেশিক মুদ্রার এক্সচেঞ্জ করা হয়। ইডি জানায়, বাংলায় এমন মোট ১৯টি বৈদেশিক মুদ্রার এক্সচেঞ্জের ব্যবসা রয়েছে অভিযুক্তর। যার মধ্যে সবগুলিই সীমান্তবর্তী এলাকাতেই বলে দাবি ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও চাঞ্চল্যকর দাবি হল, এগুলির মাধ্যমে মোট ২০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। যার মধ্যে ৯-১০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি রেশনে বলে সন্দেহ ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এদিন আদালতে যে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির হিসেব দেখানো হয়, তা শুনে অবাক বিচারকও। তিনি বলেন, ‘এটার পর কি বলা যায় এই রাজ্য গরিব!’
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এদিন আদালতে আরও জানানো হয়, বিগত প্রায় এক দশক ধরে এই কারবার চলছে। সীমান্ত এলাকায় একটি র্যাকেট চলছে বলেও আদালতে জানান ইডির আইনজীবী। গতকাল অভিযানে নেমে ইডির অফিসারদের আক্রান্ত হওয়ার কথাও উঠে আসে তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীর গলায়।
কলকাতা: রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার বনগাঁর তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যকে আদালতে পেশ করে ১৪ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতের জন্য আবেদন জানায় ইডি। রেশন দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে এবার আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির তরফে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে আইনজীবী দাবি করেন, রেশনে ১০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তার মধ্যে ২৭০০ কোটি টাকা পাচার হয়েছিল দুবাইয়ে। ইডির তরফে আরও দাবি করা হয়, শঙ্কর আঢ্যর সংস্থার মাধ্যমেই টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছিল।
ইডির আইনজীবী এদিন নগর দায়রা আদালতে বলেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির (শঙ্কর আঢ্য) অনেক এজেন্সি আছে। সেই এজেন্সিগুলির মাধ্যমেই বৈদেশিক মুদ্রার এক্সচেঞ্জ করা হয়। ইডি জানায়, বাংলায় এমন মোট ১৯টি বৈদেশিক মুদ্রার এক্সচেঞ্জের ব্যবসা রয়েছে অভিযুক্তর। যার মধ্যে সবগুলিই সীমান্তবর্তী এলাকাতেই বলে দাবি ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও চাঞ্চল্যকর দাবি হল, এগুলির মাধ্যমে মোট ২০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। যার মধ্যে ৯-১০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি রেশনে বলে সন্দেহ ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এদিন আদালতে যে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির হিসেব দেখানো হয়, তা শুনে অবাক বিচারকও। তিনি বলেন, ‘এটার পর কি বলা যায় এই রাজ্য গরিব!’
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এদিন আদালতে আরও জানানো হয়, বিগত প্রায় এক দশক ধরে এই কারবার চলছে। সীমান্ত এলাকায় একটি র্যাকেট চলছে বলেও আদালতে জানান ইডির আইনজীবী। গতকাল অভিযানে নেমে ইডির অফিসারদের আক্রান্ত হওয়ার কথাও উঠে আসে তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীর গলায়।