
কলকাতা: ওয়েবকাস্ট নিয়ে বৈঠক করল নির্বাচন কমিশন। চিফ হোম ডিজি, এস পি, ডিএম সহ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিল সেই বৈঠকে। ক্যামেরায় থাকছে সিম। ভিডিয়োগ্রাফি হবে সেই সব জায়গায়, যেখানে যেখানে বিদ্যুৎও নেই। গণনার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার আগেই ‘ওয়েব কাস্ট’ শুরু হয়ে যাবে।
কমিশনের তরফ থেকে বৈঠকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, কোনও রকম বেআইনি কাজকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা। বেআইনি কোনও কাজ হলে তাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলেও বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেন্ট্রাল ফোর্সকেও রেয়াত করা হবে না। ওয়েবকাস্ট নিয়ে গণ্ডগোলের ছবি অতীতে দেখা গিয়েছে। এরকম হলে পুনর্নির্বাচন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছে, সংবেদনশীল বুথের ভিতরে দু’টি এবং বাইরে একটি ক্যামেরা বসানো হবে। সাধারণ বুথের ভিতর থাকবে একটি এবং বাইরে একটি ক্যামেরা। বুথে লোকজনকে ক্যামেরায় দেখা যাবেন। একাধিক ব্যক্তি বুথে ঢুকলে ক্যামেরার প্রযুক্তি তা কমিশনের কন্ট্রোলরুমে জানাবে।
মাইক্রো-অবজ়ার্ভারদের বদলে সেই ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। যদিও ক্যামেরার এমন নিবিড় ব্যবহার এ রাজ্যে নতুন। এই ব্যবহার বুথে রাজনৈতিক প্রভাব ঠেকাতে পারবে কি না সেটাই বড় প্রশ্ন।
এদিকে, ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ সংক্রান্ত নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। QR code দেওয়া স্লিপ এই প্রথমবার বিএলও রা সার্বিকভাবে ভোটারদের বাড়িতে পৌঁছে দেবেন। স্লিপে ভোটারের ব্যক্তিগত বিবরণ থাকবে, থাকবে ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, ভোট গ্রহণের তারিখ ও সময় এবং ভোটকেন্দ্রের মানচিত্র।