Nirapada Sardar: ‘পুলিশ অফিসার বলেছিলেন তাঁকে চাপ দিয়ে করানো হচ্ছে…’, জামিনে মুক্ত হতেই বিস্ফোরক নিরাপদ

Nirapada Sardar: শেখ শাহজাহান এখনও অধরা। ফুঁসছে সন্দেশখালি। সেই সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক বলছেন, সন্দেশখালির দুরাবস্থা নিয়ে তিনি একাধিকবার প্রশাসনিক স্তরে সরব হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, কেউ শোনেনি তাঁর কথা।

Nirapada Sardar: পুলিশ অফিসার বলেছিলেন তাঁকে চাপ দিয়ে করানো হচ্ছে…, জামিনে মুক্ত হতেই বিস্ফোরক নিরাপদ
সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দার। Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 27, 2024 | 11:26 PM

কলকাতা: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে শর্তসাপেক্ষ জামিন পেয়েছেন সন্দেশখালিক প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিআইএম নেতা নিরাপদ সর্দার। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা শুরু হয়েছে। প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। অভিযোগ, আগে অভিযোগ নয়, উল্টে আগে এফআইআর তারপর অভিযোগ দায়ের হয়েছিল নিরাপদর নামে। তা নিয়ে বিস্মিত বিচারপতি দেবাংশু বসাক। বসিরহাটের পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলবও করেছে হাইকোর্ট। সেই নিরাপদই এবার টিভি-৯ বাংলার বিশেষ সাক্ষাৎকারে করলেন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। সাফ বললেন, “সাজিয়ে যদি করা হয় তাহলে এমনটা হয়। কাউকে যদি আসামি করব বলে যদি ঠিক করে নিই। তাহলে তো এটাই হবে।”

তাঁর দাবি, সন্দেশখালির এক পুলিশ অফিসার তাঁর কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নিরাপদ বলেন, “পুলিশ তো আমার পাশেই যায়নি। কোনওদিন কিছু জিজ্ঞাসও করেনি। সন্দেশখালির একজন আইও ছিলেন। তিনি আমার কাছে এসে আমার কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। বলেছেন তাঁকে চাপ দিয়ে এসব করানো হচ্ছে। আমি পরিষ্কার করে তাঁকে বলেছিলাম, তুমি যেহেতু চাকরি করছ তাই তোমার সুপিরিয়ররা যেরকম বলছেন সেরকম করো। আইনের লড়াইয়ে আমরা লড়ব। এর জন্য তুমি কষ্ট পেয়ো না।” 

অন্যদিকে নিরাপদর গ্রেফতারি নিয়ে রিপোর্ট তলবের পাশাপাশি বিচারপতি দেবাংশু বসাক শুনানিতে একাধিকবার বিস্ময় প্রকাশও করেন বলে জানা যাচ্ছে। স্পষ্ট বলেন, ‘ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার শকিং। একজন নাগরিককে কি এভাবে গ্রেফতার করা যায়?’ একইসঙ্গে তাঁর পর্যবেক্ষণে তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আরও বলেন, ‘যাঁরা গ্রেফতার করলেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কেন নয়? এতদিন জেলে, ক্ষতিপূরণ কে দেবে?’ খোদ বিচারপতির এই প্রশ্নে যে রাজ্যের অস্বস্তি আরও বাড়বে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

এদিকে শেখ শাহজাহান এখনও অধরা। ফুঁসছে সন্দেশখালি। সেই সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক বলছেন, সন্দেশখালির দুরাবস্থা নিয়ে তিনি একাধিকবার প্রশাসনিক স্তরে সরব হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, কেউ শোনেনি তাঁর কথা। তিনি বলেন, “আমি ২০১৩ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সন্দেশখালির সমস্যা তুলে ধরতাম। আমার কথা সেই সময় শোনা হয়নি। আমার মাইক কেড়ে নেওয়া হত। নিরাপদ সর্দার ২০১২,১৩, ১৪ সালে যেটা বলেছে আজ সেটা বাস্তব। আজ তো মানুষই বলছে তাঁদের জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছে।”

Follow Us