কলকাতা: শনিবার সকাল থেকে হইচই ফেলে দিয়েছে একটি ভাইরাল ভিডিয়ো। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা টিভিনাইন বাংলা যাচাই করেনি। তবে সেই ভিডিয়ো ঘিরে এই মুহূর্তে তোলপাড় চলছে। এরইমধ্যে সন্দেশখালি-২ মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে আইপ্যাক সংস্থার। দু’পাতার চিঠি লিখেছেন গঙ্গাধর। গঙ্গাধর কয়াল বলেন, “ভিডিয়োটি চক্রান্ত। আইপ্যাক ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”
সন্দেশখালি নিয়ে সিবিআই যে আলাদা ইমেল আইডি দিয়েছিল তাতেই অভিযোগ করেছেন গঙ্গাধর কয়াল। তাঁর অভিযোগ, ‘Williams’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটি ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছে। গঙ্গাধরের দাবি, “এআইকে কাজে লাগিয়ে আমার মুখ ও গলার আওয়াজের বিকৃতি ঘটিয়ে এটা করা হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইপ্যাককে কাজে লাগিয়ে এটা করেছেন।”
গঙ্গাধরের দাবি, এটা একটা ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, “ভিডিয়োটি মরফ করা হয়েছে। বক্তার মুখ অন্ধকারে রাখা হয়েছে। ভিডিয়ো ক্লিপের সঙ্গে লিপ মুভমেন্ট স্পষ্ট নয়। অডিয়ো কোয়ালিটি স্পষ্ট নয়। ইউটিউব চ্যানেলটি থেকে একটি মাত্রই ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছে। ৩ মে ইউটিউব চ্যানেলটি খোলা হয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে সম্মানহানি করতেই এই ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছে। আমার কণ্ঠই নয় এটি। বিকৃত করা হয়েছে।” যদিও এদিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সিবিআই ইডি কী করবে আমাকে জেলে ঢোকাবে? সত্যি কথা বলার জন্য যদি জেলে ঢোকায়, ঢোকাক।”
কলকাতা: শনিবার সকাল থেকে হইচই ফেলে দিয়েছে একটি ভাইরাল ভিডিয়ো। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা টিভিনাইন বাংলা যাচাই করেনি। তবে সেই ভিডিয়ো ঘিরে এই মুহূর্তে তোলপাড় চলছে। এরইমধ্যে সন্দেশখালি-২ মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে আইপ্যাক সংস্থার। দু’পাতার চিঠি লিখেছেন গঙ্গাধর। গঙ্গাধর কয়াল বলেন, “ভিডিয়োটি চক্রান্ত। আইপ্যাক ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”
সন্দেশখালি নিয়ে সিবিআই যে আলাদা ইমেল আইডি দিয়েছিল তাতেই অভিযোগ করেছেন গঙ্গাধর কয়াল। তাঁর অভিযোগ, ‘Williams’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটি ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছে। গঙ্গাধরের দাবি, “এআইকে কাজে লাগিয়ে আমার মুখ ও গলার আওয়াজের বিকৃতি ঘটিয়ে এটা করা হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইপ্যাককে কাজে লাগিয়ে এটা করেছেন।”
গঙ্গাধরের দাবি, এটা একটা ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, “ভিডিয়োটি মরফ করা হয়েছে। বক্তার মুখ অন্ধকারে রাখা হয়েছে। ভিডিয়ো ক্লিপের সঙ্গে লিপ মুভমেন্ট স্পষ্ট নয়। অডিয়ো কোয়ালিটি স্পষ্ট নয়। ইউটিউব চ্যানেলটি থেকে একটি মাত্রই ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছে। ৩ মে ইউটিউব চ্যানেলটি খোলা হয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে সম্মানহানি করতেই এই ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছে। আমার কণ্ঠই নয় এটি। বিকৃত করা হয়েছে।” যদিও এদিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সিবিআই ইডি কী করবে আমাকে জেলে ঢোকাবে? সত্যি কথা বলার জন্য যদি জেলে ঢোকায়, ঢোকাক।”