Abhishek Banerjee: অভিষেকের লাল পাসপোর্ট রয়েছে, সেফ হেভেনে পালিয়ে যেতে চাইছে: ঋতব্রত

Ritabrata Bandyopadhyay on Abhishek Banerjee Foreign Travel: অভিষেককে আক্রমণ করে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, "এই চার্টার্ড মাফিয়া তো ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট হোল্ডার। এবার ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট নিয়ে যে দেশের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই সেখানে গিয়ে যদি পাসপোর্টটা সারেন্ডার করে আশ্রয়ের আবেদন করেন, তাহলে তো কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ফিরবে না। পালিয়ে যেতে চাইছে।"

Abhishek Banerjee: অভিষেকের লাল পাসপোর্ট রয়েছে, সেফ হেভেনে পালিয়ে যেতে চাইছে: ঋতব্রত
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী বললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 03, 2026 | 8:42 PM

কলকাতা: চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শীর্ষ আদালত অভিষেকের আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্টকে। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে নিশানা করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “অভিষেক বিদেশে পালিয়ে যেতে চাইছেন।” একজন সাংসদ হিসেবে অভিষেকের যে ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট রয়েছে, তার সুবিধা নিয়েই ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অন্য দেশে আশ্রয় নেওয়ার ফন্দি আঁটছেন বলে দাবি ঋতব্রতর।

কী কী বললেন ঋতব্রত?

অভিষেককে নিশানা করে সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বলেন, “দেখুন, এখানে আমরা যারা রয়েছি, সবার পাসপোর্টের রং নীল। আমি যখন এমপি ছিলাম, প্রথমে ৬ বছর ও পরে ১৫ মাস, আমার পাসপোর্টের রং ছিল লাল। ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট। ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্টের নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকে। খেয়াল রাখবেন, ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট নিয়েই বিজয় মালিয়া চলে গিয়েছিলেন। ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্টের নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকে। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে তো ভিসাই লাগে না। খুব অল্প কয়েকটি দেশে ভিসা লাগে। এবং আরও নানা ধরনের ডিপ্লোম্যাটিক সুরক্ষা ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট হোল্ডাররা পান।”

এরপরই অভিষেককে আক্রমণ করে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, “এই চার্টার্ড মাফিয়া তো ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট হোল্ডার। এবার ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট নিয়ে যে দেশের সঙ্গে প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই সেখানে গিয়ে যদি পাসপোর্টটা সারেন্ডার করে আশ্রয়ের আবেদন করেন, তাহলে তো কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ফিরবে না। পালিয়ে যেতে চাইছে। পালিয়ে যেতে চাইছে বলেই হাইকোর্ট বলে দিল এসএসকেএম-এ যেতে। ওর বাড়ি থেকে এসএসকেএম অল্প দূরত্ব। হ্যাঁ হতে পারে, এসএসকেএম-এ কিছু হাঁটতে হলে ডিম খাওয়ার ভয় থাকতে পারে। কিন্তু, যেহেতু হাইকোর্ট বলেছে এসএসকেএমে যাওয়ার কথা। এসএসকেএম-র ডাক্তারদের বোর্ডের সামনে হাজির হওয়ার কথা। সেটা না করে উনি চলে গেলেন সুপ্রিম কোর্টে।”

শীর্ষ আদালতের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে ঋতব্রত বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানাই। কারণ উনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আর ডিপ্লোম্য়াটিক পাসপোর্ট হোল্ডার কোনওভাবে বেরোতে পারলে এবং পৃথিবীর বহু দেশ রয়েছে, যে দেশের সঙ্গে ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। সেফ হেভেন হয়ে যাবে। উনি তো পালিয়ে যেতে চাইছেন। এটা তো লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। সেজন্য সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, হাইকোর্টে আসতে। আর হাইকোর্ট তো রায় দিয়েই রেখেছে। এটা ঠিক, সেবাশ্রয়ের ডাক্তাররা এসএসকেএম-এ বসেন না। মানে সেবাশ্রয়ে যাঁদের দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন, তাঁরা এসএসকেএম-র বোর্ডে থাকবেন না। এটা একটা কারণ হতে পারে। আর ওঁর চোখের চিকিৎসা তো সেবাশ্রয়ে করিয়ে নেওয়া উচিত। উনি তো জনগণের নেতা। জনপ্রতিনিধি জনগণকে পথে বসিয়ে তারপর উনি বিদেশে যাবেন। আর উনি যে চিকিৎসা করিয়েছেন, সেখানে ব্যক্তিগত না পার্টির টাকা খরচ হয়েছে, সেগুলো তো আমরা জানি না। সেগুলো নিশ্চিতভাবে সামনে আসবে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us